আইপিএলে দল পাবেন কিনা, সেটা নিয়ে ছিল প্রশ্ন। সেখানে শঙ্কা বাড়িয়ে দেয় পুরো আসরের জন্য বিসিবির এনওসি না দেওয়ার খবর।
অবশ্য সেসব শঙ্কা নিলামের দিনই যায় উবে। নিলাম থেকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কলকাতার ডেরায় খেলবেন ফিজ।
আর সেখানে ম্যাচপ্রতি ফিজ পাবেন প্রায় ১ কোটি টাকা।
৯ কোটি ২০ লাখ টাকা ভারতীয় রুপিতে রুপান্তরিত করলে দাঁড়ায় ১২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। আইপিএলের গ্রুপ পর্বে প্রতিটা দল খেলবে ১৪ ম্যাচ।
সেই ১৪ ম্যাচের জন্য ১২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ফিজের। অর্থ্যাৎ ম্যাচ প্রতি প্রায় ১ কোটি টাকা পাবেন বাংলার এই পেসার, এক্সাক্ট সংখ্যার হিসেবে যা দাঁড়ায় ৮৯ কোটি টাকা।
আর সেখানে প্রতি ম্যাচে কোটা পুরণ করলেও ২৪ বল করবেন ফিজ। যেখানে বল প্রতি ফিজ পাবেন প্রায় ৪ লাখ টাকা।
অর্থ্যাৎ কাটার, স্লোয়ার, ইয়ার্কার, বাউন্সার যেটাই করেননা কেন ফিজ, সেই বলে উইকেট হোক বা ছক্কা, ফিজের একাউন্টে ঢুকবে ৪ লাখ টাকা।
তবে আইপিএলে ১৪ ম্যাচ খেলবেন কিনা, এ নিয়ে আছে প্রশ্ন। প্রথম কারণটা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অডিয়াই সিরিজে ফিজের এনওসি না থাকা।
যে সিরিজের জন্য ৬ থেকে ৮ দিন ফিজের সার্ভিস পাবেনা কলকাতা। আর সেখানে দুই থেকে তিন ম্যাচ মিস করবেন এই পেসার। তবে সেক্ষেত্রে একাউন্ট থেকে টাকা কাটা হলেও, ম্যাচ প্রতি টাকার হিসাব একই থাকবে।
দ্বিতীয়ত তিনি শুরুর একাদশে থাকবেন কিনা, সেটাও প্রশ্ন অনেকের। পেস আক্রমণে লঙ্কান পাথিরানাকে ১৮ কোটি দিয়ে কিনেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। যদিও ফর্ম, টিম কম্বিনেশনের বিচারে ফিজ এগিয়ে পাথিরানার চেয়ে। তবে অনেকেই মনে করেন পাথিরানা হবেন কলকাতার প্রথম পছন্দ।
অন্তত ১৮ কোটি রুপি দিয়ে কেনা বোলারকে কেউ বসিয়ে রাখতে চাইবেনা শুরু থেকে। আর সেখানে ফিজ শুরুর একাদশে থাকবে কিনা সে প্রশ্ন অনেকের।
তবে যদি একটা ম্যাচও না পান ফিজ, তাতেও তার একাউন্টে ঢুকবে পুরো টাকা। আর সেখানে ম্যাচপ্রতি তার টাকা বা বল প্রতি তার টাকার হিসাবটা কমবেনা, বরং বাড়বেনা। তবে এত কোটি দিয়ে কেনা ফিজকে নিশ্চয়ই বসিয়ে রাখতে কিনবেনা কলকাতা।
ফিজের থেকে সেরাটাই আদায় করতে চাইবে এই ফ্রাঞ্চাইজীটি।




