চতুর্থ ওভারে বল করতে আসলেন নবী,ব্যাটিংয়ে নাসির হোসাইন।২ উইকেট হারিয়ে ভালো অবস্থানে নেই ঢাকাও।তবে নবীকে একে একে ৩ বলে তিনটি চার হাকান নাসির।
তবে নাসিরের ব্যাট আরো চওড়া হয় মাজ সাদাকাতের পরের ওভারে।
প্রথম বলে মিড উইকেটে চার,দ্বিতীয় বলে একই অঞ্চলে ৬।
তৃতীয় বলে থার্ড ম্যান অঞ্চলে ফোর,আর চতুর্থ বলে আরো এক চারের মার লং অঞ্চলে।
পরের ওভারে চার হাকিয়ে মাত্র ২১ বলেই ফিফটি পুর্ন করেন নাসির হোসাইন।
তবে সেখানেই থামেননি নাসির,একে একে চার ছয়ে,নিজেকে শতকের কাছাকাছি নিয়ে যান তিনি।
নাসিরের একার ব্যাটেই জয়ে ফিরলো ঢাকা ক্যাপিটালস সেকথা বলাই যায়।
এই বয়সেও রিতীমত তান্ডব চালালেন তিনি।
এর আগে আজও খারাপ ব্যাটিং প্রদর্শন করে নোয়াখালী। আগের ম্যাচে ৬১ রানে অলআউট হওয়া নোয়াখালী এদিনও ১০০’র নিচে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছিল। দশম ওভারে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে মাআজ সাদাকাত যখন আউট হন, নোয়াখালীর স্কোরকার্ডে যোগ হয়েছে মোটে ৪০ রান। দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সৌম্য সরকার আউট হয়েছেন যথাক্রমে ৬ ও ১ রানে।
এছাড়া মুনিম শাহরিয়ার ২ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন আউট হন ৪ রান করে। ওপরের পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে সাদাকাত ১৯ বলে সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন।
নোয়াখালীকে সম্মানজনক স্কোর এনে দেন দুই বিদেশি মোহাম্মদ নবি ও অধিনায়ক হায়দার আলী। ষষ্ঠ উইকেটে তারা ৬১ বলে ৯০ রান যোগ করেন।
শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে হায়দার ৩৬ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৪৭ রান করেন। নবি শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন।
ঢাকা ক্যাপিটালসের পক্ষে বল করা প্রত্যেক বোলার ১টি করে উইকেট শিকার করেন। যাতে জয় নিশ্চিত হয় ঢাকার।




