ফুটবলকে ওওন করেন আসিফ নজরুল,ক্রিকেটকে ভাবেন ভিনদেশীদের খেলা।এমন সময়ে ঠিকই বাস্তবতার দিকে না তাকিয়ে,দেশের ক্রিকেটের কল্যান না ভেবে কুটনৈতিক সম্পর্কে জোরদার না দিয়েই বিশ্বকাপ থেকে সড়ে আসার সিদ্ধান্ত নিলেও,ভিন্ন অন্য খেলার ক্ষেত্রে।
নিরাপত্তা শঙ্কাকে সামনে রেখে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারতে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল পাঠানোর অনুমতি দেয়নি সরকার। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ভারতের মাটিতে বাংলাদেশি ক্রিকেটার, দর্শক ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকতে পারে,এই আশঙ্কা থেকেই দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে এখানেই প্রশ্ন উঠছে। ক্রিকেট বিশ্বকাপে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলেও ঠিকই ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান রাইফেল ও পিস্তল শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশি শুটার পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ২ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বুধবার শুটারদের ভারত সফরের সরকারি আদেশ দেওয়া হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম জানিয়েছেন, শুটিং প্রতিযোগিতাটি ইনডোর ও সংরক্ষিত এলাকায় হওয়ায় সেখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। এছাড়া বাংলাদেশ দল থেকেও সীমিত সংখ্যক প্রতিনিধি যাচ্ছেন,একজন খেলোয়াড় ও একজন কোচ। আয়োজক কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেওয়ায় সফরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এই সফরে বাংলাদেশের একমাত্র শুটার হিসেবে যাচ্ছেন দেশের অন্যতম সেরা শুটার রবিউল ইসলাম। নৌবাহিনীর অ্যাথলেট হওয়ায় বিশেষ পাসপোর্ট ব্যবহার করে তিনি ভিসা ছাড়াই সাত দিন ভারতে থাকতে পারবেন। তবে কোচ শারমিন আক্তারকে ভিসা নিতে হবে। আগামী ৩১ জানুয়ারি তাদের দিল্লি যাওয়ার কথা, আর ৫ ফেব্রুয়ারি মাঠে নামবেন রবিউল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের পর এটিই হবে বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের প্রথম আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ। অস্ত্র ও গুলি বহনের কারণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের বিষয়টিও সামনে আসে। এ প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়াসচিব জানান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় জিও ইতোমধ্যেই দেওয়া হয়েছে।
ফলে একদিকে নিরাপত্তার অজুহাতে ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল পাঠানো হয়নি, অন্যদিকে একই দেশে শুটিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বাংলাদেশিদের পাঠানো এই দ্বৈত সিদ্ধান্ত নিয়েই তৈরি হয়েছে বিতর্ক।কেননা শুধু নিরাপত্তা নয়,দেশের মর্যাদার কথাও বলেছিলেন ক্রিড়া উপদেষ্টা।




