গত অনুর্দ্ধ ১৯ বিশ্বকাপ খেলেছেন, এর আগে চ্যাম্পিয়ন দলের হয়ে খেলেছেন বিপিএল।
তাকে আরো পরিপক্ব করতেই এবারো অনুর্দ্ধ ১৯ দলে সুযোগ দেয় বিসিবি। আর সেখানে ইমন প্রমাণ করেন, কেন তাকে নিয়ে এত আশা বিসিবির।
টুর্নামেন্টের আগের ৪ ম্যাচে নেন ৬ উইকেট। এর মাঝে ভারতের সাথে নেন দুই উইকেট, তিন উইকেট নেন আমেরিকার বিপক্ষে।
কিউইদের বিপক্ষে দলের একমাত্র উইকেট নেন তিনি। বৃষ্টিতে সে ম্যাচ পরিত্যাক্ত না হলে জুটত আরো উইকেট। সেখান থেকে এবার নিজেকে পুরোপুরি মেলে ধরলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
সুপার সিক্সে বিদায় নিলেও নিজেদের শেষটা দারুণভাবেই করতে চেয়েছিল বাংলাদেশ।
আর সেখানেই স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পথ দেখান ইকবাল হোসেন ইমন। ইমনের পেস ও সুইংএ দিশেহারা জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপ।
নিজের প্রথম অভারে এসেই তুলে নেন উইকেট। শুন্য রানে ফেরান জিম্বাবুয়ের ওপেনার কুপাকওয়াদশে মুরিদজিকে।
ইমনের বলে রাতুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন মুরিদজি। আরেক ওপেনার নাথানেইলও শিকার ইমনের, তিনি করতে পারেন মাত্র ৪ রান। দলীয় ৬ রানে বোল্ড হয়েই ফিরেন তিনি।
সিম্ব্রাসা এক প্রান্তে জুটির চেষ্টা করেন লেওরি চিওয়ালুর সাথে। তবে এবার চিওয়ালুকে ফেরান ইমন, ভাঙেন জুটি৷ ১৬ রান করা এই ব্যাটারও ইমনের বলে পরাস্ত, তার স্টাম্প উপরে উইকেট তুলে নেন এই ডানহাতি পেসার।
এরপর সাতে নামা মিকেল ব্লিগনাটের উইকেটটাও নেন ইমন। সেখানে ৭ রান করা মিকেল ইমনের বলে ক্যাচ দেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার রিজানকে।
লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যান পানাসে মাজাইকে ফিরে নিজের ফাইভার তুলে নেন ইমন। শুরুর ৭ উইকেটের ৫ টিই নেন ইমন। এর মাঝে তিনটিই করেন বোল্ড।
তার বল খেলতে রীতিমতো ভুগেছে ব্যাটসম্যানরা। ১০ অভার বোলিং করে ৩ টিই মেডেন দেন ইমন। ২.৪ ইকোনমিতে রান দেন মাত্র ২৪। আর তাতেই বাংলাদেশের দেওয়া ২৫৪ রানের লক্ষ্য জিম্বাবুয়ের জন্য হয় পাহাড়সম। সে কাজে ব্যার্থ হয়ে হারের মুখ দেখতে হয় তাদেরকে
বর্তমানে সমৃদ্ধ দেশের পেস বোলিং লাইনআপ। আর সেখানে ইমনের অন্তভুক্তি পাইপলাইনকেই করেছে আরো সমৃদ্ধি। ইমনের মত পেসার বাংলাদেশকে আগামী দিনেও স্বপ্ন দেখাচ্ছে আরো।




