নেইমারের পর সেরা ট্যালেন্ট হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন। ১৮ বছর বয়সে ভাঙলেন নেইমির রেকর্ডই। পালমেরাস থেকে যখন ছাড়লেন ব্রাজিলিয়ান লীগ সিরিআ, তখন ১৮ এর কম বয়সীর মাঝে সর্বোচ্চ গোল এসিস্টের রেকর্ড সাথে। যেটা করতে ভেঙে ফেলেন স্বয়ং নেইমার জুনিয়ারের রেকর্ড।
সেই এস্তেভাও ইউরোপে এসেও রেকর্ড করবেননা, সেটা তো হয়না। চেলসিতে এসেও এবার রেকর্ডের স্বাক্ষী এস্তেভাও। যে রেকর্ডেও সবার সেরা এই ১৮ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান তারকা, যে রেকর্ডেও আছে বয়সের কারুকার্য।
এফএ কাপের সর্বশেষ ম্যাচে হাল সিটির বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয় চেলসির। যেখানে পর্তুগালের পেদ্রো নেতো করেন হ্যাট্রিক।।তবে অন্য গোলটি আসে এস্তেভাও এর পা থেকে। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে ডিবক্সে ফাকাই ছিলেন এস্তেভাও। সেখানেই তার দিকে পাস বাড়িয়ে দেওয়া হয় ডানপাস থেকে। সহজ পাস পেয়ে ফিনিশ করেন এস্তেভাও, বল দেখা যায় পায় জালের ঠিকানা। আর সেখানেই রেকর্ডের স্বাক্ষী হন এস্তেভাও।
এই মৌসুমে চেলসির হয়ে ৭ গোল এস্তেভাও এর। চেলসির ইতিহাসের কোন ফুটবলার ১৮ বছর শেষ হবার আগে চেলসির হয়ে করতে পারেনি ৭ গোল। শুধু তাই নয়, চেলসির হয়ে সকল ধরণের কম্পিটিশনে গোল করেন এস্তেভাও। প্রিমিয়ার লীগ, চ্যাম্পিয়নস লীগ, ইএফএল কাপের পর এবার এফএ কাপ, এস্তেভাও এর থেকে গোল আসছে সব ধরণের আসরে।
প্রিমিয়ার লীগ সহ সব আসর মিলিয়ে এর মাঝে ১০ গোল এসিস্ট হয়ে গেছে এস্তেভাও এর। অথচ চেলসি দলে সব ম্যাচে শুরুর একাদশে থাকেননা তিনি, আবার বয়সটাও মাত্র ১৮। খেলেন বিশ্বের সবচেয়ে প্রতিযোগিতামুলক লীগ ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে। কিন্ত কোনকিছুই এস্তেভাওকে আটকাতে পারছেনা। বরং ক্লাবে পারফর্মেঞ্চের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন এই ব্রাজিলিয়ান।
গত বছর ব্রাজিলকে লিডও দেন এই এস্তেভাও। ব্রাজিলের হয়ে গত বছর সর্বোচ্চ ৪ গোল করেন তিনি। এর মাঝে সর্বশেষ ২ ম্যাচেই গোল আসে এস্তেভাও এর পা থেকে। গোল এর বাইরেও যেভাবে উইঙ থেকে বল নিয়ে নেতৃত্ব দেন, তাতে বুঝার উপায় নেই তার বয়স ১৮। যে কারণে ব্রাজিলের উইঙে তারকা মেলা থাকলেও এই তরুণ এস্তেভাওকে এর মাঝে বিশ্বকাপের টিকিট প্রদান করা হয়েছে কার্লো আনচেলত্তির। এবার কার্লোর আস্থার প্রতিদান দেওয়ার পালা। যেভাবে রেকর্ড করছেন এস্তেভাও, আগামী দিনে কার্লোর আস্থার জন্য তাকে যোগ্যই বলা যায়।




