আজ ১৪ ফেব্রুয়ারী! বিশ্ব ভালবাসা দিবস।ফুটবলে নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের প্রতি ভালবাসা থেকে পরবর্তীতে একটি দলের প্রেমে পড়া সাধারণ, কিংবা পছন্দের দলেরও হতে পারে প্রথম ভালবাসার কোনো খেলোয়াড়।
এই যেমন গোটা একটা জেনারেশন ফুটবলের প্রেমে মেতেছিলেন ম্যারাডোনার কল্যানে।নাপোলিতে যার নামে পালন করা হয় একটা ধর্মও।
আবার ব্রাজিলের ফুটবল কিং পেলেতো গোল করাকে এতোটাই সহজ করেছিলেন যা ছিলো তখনকার ফুটবল প্রেমিদের জন্য অবাক করা বিষয়।
ফ্রান্সের জিনোদি জিদান,ইংল্যান্ডের ডেভিড ব্যাকহাম কিংবা ওয়াইন রুনিদের প্রেমে ফুটবলে বুধ হওয়া লোকের সংখ্যা নেহাত কম নয়।ইতিহাসের প্রথম ও একমাত্র সুপার ব্যালনডিওরজয়ী স্টেফিনো ছিলেন ধরা ছোয়ার বাহিরে।
তবে সেসব অতীত ফেলে ফুটবলের ক্রেজি একটা এড়াতে বসবাস করছি আমরা।যেখানে একই সাথে দুজন ব্যাক্তিকে দাবি করা হয় ইতিহাস সেরা।৫ বারের ব্যালনডিওর জয়ী রোনালদোর প্রেমে পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ-ম্যাঞ্চেস্টার সিটির কোটি কোটি দর্শক।
অন্যদিকে ফুটবলে একই সাথে প্লে মেকার ও গোল স্কোরার হওয়ার নিখুত যে প্রতিভা মেসি দেখিয়েছেন তা অভুতপূর্ব।বার্সার ইতিহাস পালটে দেওয়া লিও ক্যারিয়ারের ক্লাব ও আন্তর্জাতিক সব এওয়ার্ডই জিতেছেন,ব্যাক্তিগত অর্জনে ধারেকাছেও নেই কেও।
অথচ ব্যাক্তিগত অর্জন ছাড়াও একজন কোটি কোটি ফুটবল প্রেমিদের চোখের মনি,তিনি কাকা সাগা পার হয়ে ব্রাজিলের নম্বর টেন হওয়া নেইমার জুনিয়র।
এর বাহিরে ব্যাক্তিগত পছন্দে জুগে জুগে অনেক খেলোয়াড়ই আছেন যারা অনেক ফুটবল প্রেমিদের ফুটবল দেখা শুরু করার কারন।
সবার প্রতিই ভালবাসা দিবসে অগাধ ভালবাসা ও শুভেচ্ছা।




