শেষ ৯ ম্যাচে জয় মাত্র ১ ম্যাচে। এর মাঝে আবার চার ম্যাচেই হেরে যায় দল। নেইমার জুনিয়ারের ইঞ্জুরির পর ১০ ম্যাচ খেলেছে সান্তোস, জিতেছে মাত্র ২ ম্যাচে। এই সময় পাউলিস্তা ও সিরিআ তে ম্যাচ খেলেছে সান্তোস, কিন্ত সুবিধা করতে পারেনি কোন।
আর সেই সান্তোসই বদলে গেলো রীতিমতো। সর্বশেষ ম্যাচে সান্তোসের কাছে ৬ গোল হজম করে ভেলো ক্লুব। যে ক্লাবটি জিততেই নিয়মিত সংগ্রাম করছিল, সেই ক্লাবটি এক ম্যাচে দিলো ৬ গোল। কেননা দলে এসেছেন একজন, তিনি নেইমার জুনিয়ার।
নেইমারকে নিয়ে শেষ ৬ দেখার ৫ টা জয় সান্তোসের। সেখানে বাকি ম্যাচটাও হয়েছে ড্র। এর মাঝে ক্রুজেও, মিরাসল, পালমেরাসের মত দলের বিপক্ষে খেলেছে সান্তোস, তবে কেউই তাদের পরাস্ত করতে পারেনি।
কিন্ত নেইমারের ইঞ্জুরিতেই দেখা যায় বিপরীত চিত্র। সিরিআ তে তো দল জিততে পারছিলই না, পাউলিস্তার ম্যাচেও করছিল হিমশিম। আর সেখানেই দল বদলে যায় নেইমারের ছোয়ায়।
নেইমারের স্কোয়াডে ফেরার খবরেই যেন উজ্জীবিত হয় সবাই। আর তাতেই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে শুরু হয় তান্ডব। যে তান্ডবের শুরুটা হয় ম্যাচের ৬ মিনিটে, গোল দিয়ে সান্তোসকে এগিয়ে দেন এই মৌসুমে সান্তোসে আসা বারবোসা।
এরপর ১৮ মিনিটে ভিয়েরা লিড ডাবল করেন। দলের হয়ে তিন নাম্বার গোল করেন থাচিয়ানো। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্থে ৬৯ মিনিটে গোল করেন মেনিনো। ৮৩ মিনিটে রোলহেইস্টার করেন দলের ষষ্ঠ গোল। আর শুরুতে গোল করা বারবোসার পা থেকে আসে দলের পাচ নাম্বার গোল।
ম্যাচের ৪৫ মিনিটে এদিন মাঠে নামেন নেইমার। নামার শুরুর ম্যাচেই আদায় করেন এসিস্ট। বন্ধ বারবোসাকে দিয়ে ৮১ মিনিটে করান গোল। এর বাইরে পুরো ম্যাচে ২৩ টি সঠিক পাস, ৩ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট, ৩ বার সফল ড্রিবলিং, ৩ বার সঠিক লং বল, ১ বার সঠিক ক্রস করেন এই তারকা ফুটবলার। অর্থ্যাৎ নেইমারের পারফর্মেঞ্চ এদিন নেইমি সুলভই ছিল।
যে নেইমারের ফেরার খবরেই তাই বদলে যাওয়া দলের নাম হয় সান্তোস। গত আসরে এই সান্তোসকে রেলিগেশন থেকে বাচিয়ে নিয়ে যান মহাদেশীয় আসরে। এবার সান্তোসের সাথে নেইমারের নিজেরও লড়াই। লক্ষ্য জাতীয় দলে ফেরা, ২০২৬ বিশ্বকাপে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা। যেভাবে শুরু করেছেন, সেটা ধরে রাখতে পারলে নিজের ও দলের স্বপ্নপুরণ করতে কঠিন হবেনা ম্যাজিকম্যান নেইমারের।




