লা লীগায় মৌসুমে ১৪ গোল এসিস্ট, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে আছেন ছন্দে। তবে আসল কাজটা ভিনিসিয়াস করে যাচ্ছেন চ্যাম্পিয়নস লীগের মঞ্চে। চ্যাম্পিয়নস লীগের এবারের আসরে ১১ ম্যাচে ৭ গোল এসিস্ট ভিনিসিয়াসের, ৪ গোলের সাথে আছে ৩ এসিস্ট। আর সেখানেই রেকর্ডের সামনে ভিনিসিয়াস। যে রেকর্ডে নেইমারকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন ভিনি, এমনকি ছাড়িয়ে যেতে পারেন মেসি ডি মারিয়াদেরও।
চ্যাম্পিয়নস লীগের মঞ্চে ব্রাজিলিয়ানদের মাঝে সর্বোচ্চ এসিস্ট নেইমার জুনিয়ারের। বার্সেলোনা ও পিএসজির হয়ে নিয়মিত চ্যাম্পিয়নস লীগ খেলেছেন নেইমার, সেখানে করেছেন ৩৩ এসিস্ট। তবে নেইমারের এই রেকর্ডটাই ভাঙার সামনে আছেন ভিনিসিয়াস।
কেননা ৩১ এসিস্ট নিয়ে তিনিও নেই পিছিয়ে। এবারের আসরে যদি জোড়া এসিস্ট করতে পারেন ভিনি, তবে এসিস্টের তালিকায় ছুয়ে ফেলবেন নেইমিকে। আর যদি তিনটি এসিস্ট করতে পারেন, সেক্ষেত্রে ভেঙেই ফেলবেন নেইমারের রেকর্ড। চ্যাম্পিয়নস লীগে সর্বোচ্চ এসিস্টকারী ব্রাজিলিয়ানদের মাঝে আসবেন সবার উপরে।
শুধু নেইমার নয়, মেসি বা ডি মারিয়ার রেকর্ড ভাঙার হাতছানিও ভিনির সামনে। এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার শুধু ব্রাজিলিয়ানদের তালিকায় আছেন এমনটা নয়, সব মিলিয়ে আছেন তালিকার উপরের দিকে। সেখানে চ্যাম্পিয়নস লীগে সর্বোচ্চ এসিস্টের তালিকায় নাম্বার পাচে আছেন ভিনিসিয়াস।
সেখানে নাম্বার তিনে অবস্থান লিওনেল মেসির। বার্সেলোনা ও পিএসজির হয়ে তিনি করেন মোট ৪০ গোল। দুইয়ে থাকা এনহেল ডি মারিয়ার এসিস্ট ৪১ টি। যদিও ভিনি থেকে দুইজনের সংখ্যাটা বেশ দুরত্বেই আছে। তবুও এই রেকর্ডের সেরা পাচে থাকা খেলোয়াড়দের কেউই বর্তমানে খেলছেন না চ্যাম্পিয়নস লীগে। আগামী দিনে খেলার সম্ভাবনাও শুন্যের কোটায়। সেখানে ২৫ বছর বয়সী ভিনির সামনে এখনও কয়েক চ্যাম্পিয়নস লীগ খেলার সুযোগ আছে। যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি, তাতে আগামী দিনে মেসি মারিয়াদের রেকর্ড ভাঙাও অসম্ভব হবেনা তার জন্য।
তবে সেজন্য ভিনিসিয়াসকে সবচেয়ে বেশি বজায় রাখতে হবে ধারাবাহিকতা। ভিনি প্রতিভাবান ও নিজের দিনে সেরা, এটা জানে সবাই। কিন্ত এই প্রতিভাকে নিয়মিত করতে হবে মাঠের পারফর্মেঞ্চে। একইসাথে ক্লাব ও জাতীয় দলে পারফর্মেঞ্চের ধারাবাহিকতা রাখতে হবে। তাতে শুধু মেসি, মারিয়া, নেইমারদের রেকর্ডই ভাঙতে পারবেননা, যেতেও পারবেন তাদের কাতারে। অপরদিকে একইসাথে ক্লাব ও জাতীয় দলেও আসবে অর্জন। নতুবা আফসোসের নাম হয়েই থাকবেন এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার।




