দেশে ফেরা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় আছেন সাকিব আল হাসান। বিভিন্ন মামলা ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট শঙ্কার কারণে এখনো দেশে না ফেরার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি স্পষ্টভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তার ভাষায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে ফিরে খুব বেশি কিছু করার সুযোগ দেখছেন না।
এ প্রসঙ্গে জনপ্রিয় অনলাইন ভিত্তিক গনমাধ্যম বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরকে সাকিব বলেন, “আমার যেসব মামলা, দেশে এসে কিছু করার আছে বলে মনে হয় না। হ্যাঁ, দুদকের মামলায় জামিন নিতে পারি।
কিন্তু দুদকের এরকম মামলা তো দেশে হাজার হাজার মানুষের আছে এবং তারা দেশে খুব ভালোভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ব্যবসা করছে, সবই করছে।”
তবে এখন আর দেশের উপর ভরসা পাননা তিনি,তাকেও গ্রেফতার করা হতেই পারে বলে দাবি তার।
সাকিব বলেন,
“এখন তো আর কোনো কিছু অস্বাভাবিক মনে হয় না! যদিও আমি আশাবাদী যে ওরকম করা হবে না।
যতক্ষণ না আমার দোষ প্রমাণিত হচ্ছে, সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু অনেক কিছুই আমি ভাবতাম এক রকম, হচ্ছে আরেক রকম! কিছুই তাই বলা যায় না।”
তবে সব শঙ্কার মাঝেও সাকিবের হুংকার দেশে ফিরতে চান তিনি,লড়তে চান মামলা,প্রমান করতে চান নিজেকে নির্দোষ।
সাকিব বলেন,
“আমি ফিরব, আশা করি তাড়াতাড়িই ফিরতে পারব।আমি দেশে ফিরব, কোর্টে যাব, মামলা লড়ব। কোনো সমস্যা নেই।
কিন্তু আমার নিরাপত্তা তো দিতে হবে! এতটুক তো আশা করতেই পারি। আমি বলছি না যে, নিরাপত্তা মানে আমার জন্য রাস্তা বন্ধ করে দিতে হবে বা পুলিশের চারটা গাড়ি সামনে থাকবে।
ওরকম তো চাচ্ছি না। তবে একটা স্বাভাবিক নিরাপত্তা তো আছে, আইনী প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত হয়রানি করবে না। ব্যাস, এতটুকুই আশা করি। সাধারণ নাগরিক হিসেবেই তো এটুকু আশা করতে পারি। হয়রানি না করার নিশ্চয়তা যদি কালকে দেওয়া হয়, পরশুই দেশে যাব আমি।”
এদিকে সাকিবে নামে জুলাইয়ে এক হত্যা মামলাও করা হয়েছে,অথচ ঐ সময়ে কানাডায় থাকা সাকিব জানান কখনো ঐ এলাকাতেই যাননি তিনি।
সাকিব বলেন, “হত্যা মামলাটিও এখন সাধারণ অবস্থায় আছে। আইন মন্ত্রণালয় অথবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাদের কাছে একটা নির্দেশনা যাবে যে, মামলাটিতে তার যোগসূত্রতা আছে নাকি নাই। যেহেতু এখনও চার্জশিট হয়নি, আমার যোগসূত্রতা না পেলে ছেড়ে দেবে।
যেখানকার ঘটনায় মামলা, সেই আদাবরে তো জীবনেও গিয়েছি বলে মনে পড়ে না। আমার সম্পৃক্ততা যদি না থাকে, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দিতে পারে যে, এটাতে তার যোগসূত্র নাই। “
সাকিব প্রায় দুই বছর যাবৎ দেশের বাহিরে,জুলাই আন্দোলনেরও অনেক আগে থেকেই তিনি দেশে আসেননা।অন্যদিকে ২৪ সালে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের হয়ে।যা বর্তমানে কাল হয়ে দাড়িয়েছে মিস্টার সেভিন্টিফাইভের জন্য।




