স্কোরকার্ডে শুন্য রান, নেই ৩ উইকেট। ফুটবল বিশ্বকাপের আগেই যেন অষ্ট্রেলিয়ার দলকে ফুটবলে নামিয়ে দিলো বাংলাদেশ দল।
এদিন বাংলাদেশের বোলিং তোপে পুড়েছে অষ্ট্রেলিয়া। তাসকিন, ফিজরা জ্বলে উঠেছেন, সঙ্গ দিয়েছেন তানভীররা।
অজিদের শক্তিশালী ব্যাটিংও বাংলাদেশের বোলিং এর সামনে ভেঙে যাচ্ছে তাসের ঘরের মত। টাইগারদের বোলিং আক্রমণ নিয়ে বিস্তারিত থাকছে প্রতিবেদনে
আগের দিন ৪ উইকেট তুলে নেন নাহিদ রানা। সেখানে রানার গতি, আগ্রাসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে অনেকে।
যে কারণে হয়ত রানার বিপক্ষে পড়াশুনা করেই এসেছিল অষ্ট্রেলিয়া দল। তাতে কিছুটা সফল ছিল অজিরা, শুরুতে তার বিরুদ্ধে ছিলেন সফল।
কিন্ত সার্বিকভাবে কাজের কাজ হয়নি অজিদের। বাংলাদেশের বোলিং যে এখন আর ওয়ান ডাইমেনশনাল না, সেটাই প্রমাণ হলো আরেকবার।
আগের দিন প্রথম বলে ফিরে গিয়েছিলেন ম্যাথু শর্ট। এবার খেললেন চার বল। তবে ফলাফল একই হলো। তাসকিন আহমেদের বলে আগের দিন উড়েছিল স্টাম্প, এদিনও হয়নি তার ব্যাতিক্রম। বাংলাদেশ সিরিজে এসে এখন পর্যন্ত তাসকিন আহমেদের কোন উত্তর নেই এই বিগব্যাশ কাপানো ব্যাটসম্যানের। আরো একবার ফেরেন কোন রান করার আগেই।
শুরুর অভারে তাসকিন জাদু দেখিয়েছেন। এরপর ফিজ এসে দেখান, বোলিং আক্রমণে তিনিই ব্রান্ড বাংলাদেশের।
সচারাচর পাওয়ারপ্লেতে বল করেননা মুস্তাফিজ। এদিন তার হাতেই বল তুলে দেন বন্ধু মিরাজ। আর তাতেই মেলে ফল, শুরুর অভারেই ফিজের জোড়া ম্যাজিক। এদিন পাওয়ারপ্লেতে বোল্ট, স্টার্কদের মত ইনসুইং এর ঝলক দেখান ফিজ। তিনিও দেখান তার স্কিলের ঝলক। আর তাতেই বোকা বনে যান কনলি, রেনশরা। তারাও ফিরে যান কোন রান করার আগেই।
এরপর অজিরা বারবার ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করেছে, তবে প্রতিবারই তাদের সামনে বাধা ছিল বাংলাদেশের এট্যাক।
পেসাররা শুরুতে অজিদের টপ অর্ডার গুড়িয়ে দিয়েছেন। সেখান থেকে মিডল অর্ডার ভেঙে দিতে সাহায্য করেন স্পিনাররা।
।ফিজ শুরুর দিকে আগুণ ধরিয়ে যান। আর মিডল অভারে এসে তানভীরের বলে উত্তর ছিল না অজিদের সামনে। শুরুর দিকে খরুচে হলেও তানভীর তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। তাকে হাকাতে গিয়ে আউট হয়ে যান অধিনায়ক জশ ইংলিশ। অপরপ্রান্তে থাকা ক্যামেরুন গ্রিনকেও সুযোগ দেননি তানভীর। ক্যাচ এন্ড বোল্ডে তুলে নেন তাকেও।
বোলিং আক্রমণে বর্তমানে ভারসাম্যপুর্ণ এক দল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের পেস দুর্দান্ত, পেস আক্রমণে দেখাচ্ছে ঝলক।
তবে এর সাথে স্পিন এখনও হারিয়ে যায়নি টাইগারদের। তানভীর ইসলাম দেখিয়েছেন বাংলার স্পিনাররা এখনও রাখতে পারেন অবদান।
।এমন বোলিং আক্রমণে তাই কাপছে অষ্ট্রেলিয়া, সেরা দল নিয়ে এসেও কাজ হচ্ছেনা অজিদের। আগামী দিনে তো বিশ্বে এই বাংলাদেশ দলকেই রাজত্ব করতে দেখতে চাইবে দেশের কোটি ভক্তরা, যার নেতৃত্বে থাকবেন বোলাররা।




