শেষ দেড় বছরে খেলেছেন ৭ ম্যাচ। যার মাঝে ৩ বার পেরিয়েছেন ৪০ এর ঘর। ৭ ম্যাচে ৩৩ এর অধিক গড়ে রান করেছেন সৌম্য। গড়ের দিক থেকে এগিয়ে ছিলেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসানের থেকে। তবুও সৌম্য সরকার সুযোগ পাচ্ছিলেন না নিয়মিত। টানা ৭ সিরিজ ধরে দলের ব্যাকাপ ওপেনার হিসেবেই ছিলেন সৌম্য। আর সেটাই হতাশা তৈরি করছিল তার ভক্তদের।
তবে এবার ভক্তদের সুসংবাদ দিলেন সৌম্য। একইসাথে জানান দিলেন এখন কতটা পরিণত তিনি।
অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ফিরলেন একাদশে। আর সেই ফেরাটাই রাঙিয়ে নিলেন সৌম্য। অন্তত টিম ম্যানেজমেন্টকে একটা বার্তা দিলেন, বিশ্বকাপের শুরুর একাদশের দাবি রাখেন তিনি।
সাইফ হাসানের বদলে ওপেনিংএ নেমেছেন। নেমে শুরুতেই হারিয়েছেন পার্টনার তানজিদ তামিমকে।
অপরদিকে শুরুর দিকে ধুকছিলেন তানজিদ তামিমও। বারলেট, ইলিশরা পিচের সুবিধা নিয়ে সুইং এর বাহাদুরি দেখাচ্ছিল।
তবে এর মাঝেও দায়িত্ব তুলে নেন সৌম্য। সৌম্য জানেন দলে এখন আর সাপোর্টিং রোল নয় তার, সুযোগ পেতে হলে পারফর্ম করতে হবে নিয়মিত। তাই শুরু থেকেই খেলতে থাকেন দায়িত্বশীল ইনিংস।
বারলেট থেকে জাম্পা, সবার বিপক্ষেই সাবলীল ছিলেন সৌম্য। ড্রাইভ দিয়ে শুরু করেছেন, এরপর পুল কাট খেলেছেন নিয়মিত। তবে জাম্পাকে পিকাপ শটে জায়গায় দাঁড়িয়ে করা ছক্কাটাই হয়ত চোখে লেগে থাকবে সবার।
শুরুর ধাক্কা সামলে তৈরি করেন পার্টনারশিপ। শান্তর সাথ দ্বিতীয় উইকেটে করেন ৮৬ রানের জুটি, সেটাও মাত্র ৯৩ বলে।
আর তাতেই জয়ের ভীত পেয়ে যায় বাংলাদেশ দল। সবাই ভেবেছিল দলকে জিতিয়েই হয়ত মাঠ ছাড়বেন সৌম্য। তবে ফেরার ইনিংসেই আক্ষেপ নিয়েই ছেড়েছেন মাঠ।
ব্যাক্তিগত ৪২ রানে থামে সৌম্যের ইনিংস। আগের অভারে জাম্পাকে ছক্কা হাকিয়েছেন। এবার অফ স্পিনার ম্যাট রেনশোকে হাকাতে যান রিভার সুইপে বাউন্ডারি। তবে সেটার টাইমিং হয়নি সৌম্যের। শেষ পর্যন্ত ধরা পড়েন স্লিপে বারলেটের হাতে। আর তাতে ভেঙে যায় জুটি।
সৌম্য মিস করেন অর্ধশতক।
তবুও শেষ ৮ ইনিংসে ৪০ উর্দ্ধ রান, সৌম্য নিজের ফেরায় বার্তা দিয়েছেন নিশ্চিতভাবে।
বর্তমানে সাইফ হাসানের চেয়ে যে ভালো ফর্মে আছেন, সেটাও দিলেন জানান।
রেগুলার সুযোগ দিলেন বর্তমানে সৌম্যই হতে পারেন ওপেনিং এর সমাধান। বিশ্বকাপে তাই শুরুর একাদশে রাখার কথা ভাবতে হবে ম্যানেজমেন্টকে।




