২০১৯ সালে জাতীয় দলে জাতীয় দলে অভিষেক, ২০২১ থেকে হয়েছেন নিয়মিত। তবে দলে নিয়মিত হলেও পারফর্মেঞ্চে ছিল উঠাপড়া।
ক্লাবে দারুণ দারুণ মৌসুম কাটিয়ে গায়ে জড়াতেন জাতীয় দলের হলুদ জার্সি। তবে সেখানে এসেই যেন খেতেন খাবি৷ ম্যাচের পর ম্যাচ সুযোগ পেলেও গোল এসিস্ট আসতো কালেভদ্রে।
তবে সময় বদলেছে শেষ এক বছরে। এই সময়ে সেলেসাও জার্সিতে ৫ গোল ও ৪ এসিস্ট ভিনিসিয়াস জুনিয়ারের।
পুরো সেলেসাও ক্যারিয়ারে যিনি করেছেন ১১ গোল, তার ৫ গোলই এসেছে শেষ এক বছরে। গোল এসিস্টের রেশিও অন্য সময়ের চেয়ে বেশি উচু। পরিসংখ্যানের সাথে বদলে গিয়েছিল খেলার ধরণে। আর এই বদলে দেওয়ার কারিগর একজনই। তিনি ডন কার্লো আনচেলত্তি।
২০২২ সালে যার হাত ধরেই বিশ্বমঞ্চে নিজেকে চেনান ভিনিসিয়াস। তখন ক্লাবে ভিনিকে পথ দেখান এই ইতালিয়ান।
চার বছর পর সেলেসাওদের বিশ্বকাপ যাত্রায়ও কার্লোর বড় ভরসার নাম ভিনিসিয়াস জুনিয়ার। এবার সেলেসাও জার্সিতে ভিনিকে চেনানোর কাজটা করলেন এই কোচ।
নেইমারের ইঞ্জুরিতে কার্লোর দলের স্পটলাইট ভিনির দিকেই ছিল। আর সেই স্পটলাইটের পুর্ণাঙ্গ ব্যাবহার করলেন এই তারকা।
বিশ্বকাপের শুরুর দুই ম্যাচেই করলেন গোল। এমনকি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের করা চার গোলেই আছে ভিনির অবদান। হাইতির বিপক্ষে শুরুর গোলটা আসে ভিনির করা শটে রিবান্ডে, বাকি গোলগুলোতে হয় নিজে স্কোরশিটে নাম লেখিয়েছেন, নাহয় ছিল এসিস্ট।
ব্রাজিল দলের আক্রমণভাগ তাই ভিনি কেন্দ্রিকই। গত ম্যাচে ড্র করে সেলেসাওরা, যার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ভিনির অসাধারণ গোল। হাইতির সাথে ম্যাচে তো পুরোপুরি দাপট এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকার। ক্লাবে এতদিন ভিনিসিয়াসের যে খেলা দেখে আফসোস করতেন ব্রাজিল ভক্তরা, জাতীয় দলে দেখতে চাইতেন যে খেলা, তাই এখন খেলছেন ভিনিসিয়াস। ডাগআউটে থাকা কোচ ডন কার্লোকে তাই আপনার ধন্যবাদ দিতেই হবে
পথ যদিও এখনও অনেক বাকি। বিশ্বকাপের নকআউটে এক পা দিয়েছে ব্রাজিল। তবে এখানেই স্বপ্নের গন্ডি সীমিত রাখতে চাইবেনা সেলেসাওরা।
কারণ মাঠে পারফর্মার ভিনিসিয়াস আছেন, মাঠের বাইরে ডাগআউটে আছেন কার্লো আনচেলত্তি। এই দুইয়ের কম্বিনেশনে শিরোপা জয় করেছিল দলগুলো। এবার হলুদ জার্সিতে সেটারই রিপিটেশন চাইবে ভক্তরা। অন্তত শুরুর হাওয়ার পর এমন আশা করা তাদের জন্যও অমুলক নয়।




