গত ১০ দিনের মাঝে মাঠে নেমেছেন ৪ বার, দুইবার খেলেছেন পুর্ণ সময়। এই সময়ে ফিটনেসে যেন নেইমার ছাড়িয়ে যাচ্ছেন নিজেকে।
ধীরে ধীরে যেন নিজের সেরা সময়ের ফিটনেসটাই পাচ্ছেন নেইমার জুনিয়ার। আর ফিট নেইমার কি করতে পারেন, সেটা জানা সবারই।
এবার সেই জানা কাজটাই করলেন সান্তোসের হয়ে।
রেমোর বিপক্ষে আগের দিন পুরো সময় খেলেছেন। তবে কোপা দে ব্রাজিল ম্যাচে কোন গোল আদায় করতে হন ব্যার্থ।
৯০ মিনিটে সর্বোচ্চ চাঞ্চ ক্রিয়েট ও প্রতিপক্ষের বক্সে মোট টাচের রেকর্ডটা থাকে নেইমির। ফাইনাল থার্ডে পাস বা ডুয়েলস জয়েও ছিলেন সাবলীল। তবে তাতে কাজের কাজ মেলেনি।
কিন্ত সেই কাজের কাজ হয়েছে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে। এবার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নেইমার জুনিয়ার। আর সেখান থেকেই করেন ম্যাচের রেজাল্ট ঘুরিয়ে দেওয়া এসিস্ট। যেই এসিস্টে যেন পুরোনো নেইমারের ছন্দই পাওয়া যায়।
ডানকদিক থেকে নেইমারের সাথে বল দখলের চেষ্টা করেন রোমোর খেলোয়াড়৷ তবে সেখানে নিয়ন্ত্রণ নিতে না পেরে বল হারান তিনি।
এরপর বল পান নেইমার জুনিয়ার। ডানদিক থেকে সেখানে রান নেন তিনি। সেই রান নিয়ে এগিয়ে যান বক্সের দিকে।
আর সেখানেই খুজে পান স্পেস। ফাকায় দাঁড়িয়ে থাকা রনিকে উদ্দেশ্য করে দেন দারুণ পাস। সেই পাসেই গোল করতে অসুবিধা হয়নি ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকারের। ৭৯ মিনিটে লিড পায় সান্তোস দল।
শেষ পর্যন্ত এই এক গোলই করে ব্যাবধান। ৪৫ মিনিট খেলে এক গোলের সাথে ৩ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট করেন নেইমার৷ এর মাঝেই ৯৭ ভাগ হারে দেন ৩২ পাস।
১ বার ড্রিবল ও ৭ বার বল দেন ফাইনাল থার্ডে। সঠিক লং বল দেন মোট ২ বার। ৩ বার রিকভারিস ও ২ বার জয় করেন ডুয়েলস। শেষ পর্যন্ত করেন ম্যাচজয়ী এসিস্ট।
শেষ ৫ ম্যাচে ৪ গোল এসিস্ট নেইমার জুনিয়ারের। মৌসুমে লীগে ৯ ম্যাচে ৮ গোল এসিস্ট।
সব ধরণের আসর মিলিয়ে নেইমারের গোল ৮ টি, এসিস্ট আরো ৫ টি। অথচ এই নেইমারকে নাকি বলা হয় ফুরিয়ে গেছেন, নেইমার নাকি আর উপর্যুক্ত নয়।
কিন্ত সান্তোসের মত দলকে এই অবস্থায়ও নেইমার যেভাবে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন, যেভাবে ফিটনেস ধরে রাখছেন, এটা যেন নেইমারের যোগ্যতারই প্রমাণ দেয় আরো একবার।




