লঙ্কা প্রিমিয়ার লীগে দলের ছিল ফাইনালে যাওয়ার ম্যাচ। জমজমাট ও হাই স্কোরিং ম্যাচে ফাইনালেও যায় সাকিব আল হাসানের দল জাফনা কিংস।
এদিন জাফনার দুই বাংলাদেশীই কাড়েন স্পট। তৌহিদ হৃদয় মাঠের ক্রিকেটে স্পটলাইট কাড়লেও সাকিব কাড়েন মাঠের বাইরে।
কেননা মাঠ থেকে বের হয়েই আলোচিত সংবাদ সম্মেলনে আল হাসান
৫ আগস্ট উপলক্ষে নিজেদের পতনের ২ বছর পর সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
যদিও সাকিব আল হাসানের ভাষ্যে এটি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের উপলক্ষে আয়োজিত এক মিটিং। ফরেইন করেস্পন্ডিং ক্লাব অফ সাউথ এশিয়ার আয়োজনে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় এই মিটিং। আর সেখানেই শেখ হাসিনার সাথেই ভার্চুয়ালি যোগদান করেন সাকিব আল হাসান।
বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬.৩০ এ শুরু হয় এই মিটিং। তখনও লঙ্কা লীগের ম্যাচ শেষ করতে পারেননি সাকিব আল হাসান।

সেই ম্যাচ শেষ করে তড়িঘড়ি করেই মিটিংএ যোগ দেন তিনি। এমনকি এর জন্য আগে বাসায় যাওয়ার প্রয়োজনও অনুভব করেননি। নিজের গাড়িতে থেকেই যোগ দেন রাজনৈতিক মিটিংএ।
মিটিং উপলক্ষে এদিন এক ফেসবুক পোষ্ট দেন সাকিব। মিটিং এর বিষয় ও এর উপস্থিতির পরিচয় উল্লেখ করেন সেখানে।
তবে সবার নজর কাড়ে স্টাটাসে উল্লেখ করা সময়। যেখানে নিজের দেশ রেখে শুরুতে ভারতীয় সময়সীমা উল্লেখ করেন সাকিব আল হাসান। এরপর উল্লেখ করেন নিজ দেশের জনগণের সময়সীমা।
এদিন অবশ্য বক্তব্যও প্রদান করেন সাকিব আল হাসান।
সাকিবের এমন কর্মকান্ডকে ঘিরে তাই আবারো নতুন করে তৈরি হয়েছে তর্ক বিতর্ক। তবে বিতর্কের আরেক নামই সাকিব আল হাসান। এই বিতর্ক এবার তাকে ভালো বা খারাপ কোনদিকে নিয়ে যায়, সেটাই দেখার বিষয়।




