অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছে বাংলাদেশ এইচপি দল। টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে এবার অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষেও বল হাতে দাপট দেখিয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ বোলাররা।
সাকলাইনের দুর্দান্ত চার উইকেটের সঙ্গে মোহাম্মদ রুবেলের তিন শিকারে অ্যাডিলেডকে ১৬৪ রানের বেশি করতে দেয়নি এইচপি।
ডারউইনের মারারা ওভালে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ এইচপি। শুরুতে অবশ্য আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুলছিল অ্যাডিলেডের দুই ওপেনার।
তবে চতুর্থ ওভারেই কনর ক্যারোলকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম আঘাত হানেন মোহাম্মদ রুবেল। এরপর আবু হায়দার রনির শিকার হয়ে ফেরেন আরেক ব্যাটার।
পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ৪৯ রান তোলে অ্যাডিলেড। এরপর থমাস কেলি দ্রুত রান তুলে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নিচ্ছিলেন।
কিন্তু ২০ বলে ৩৮ রান করা কেলিকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন রাকিবুল হাসান। ফলে ম্যাচে আবারও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশ।
এরপর বল হাতে নিজের সামর্থ্যের আরেকটি দারুণ প্রদর্শনী দেখান আবদুল গাফফার সাকলাইন।
অ্যাডিলেডের অধিনায়ক নিয়ালসেনকে ১৩ রানে ফিরিয়ে শুরু করেন নিজের উইকেট শিকার।
এরপর একে একে আরও তিন ব্যাটারকে সাজঘরে পাঠিয়ে পূর্ণ করেন চার উইকেট। চার ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে চার উইকেট টি-টোয়েন্টিতে এমন পারফরম্যান্স যে কোনো বোলারের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেওয়ার মতো।
সাকলাইনের পাশাপাশি আলো ছড়িয়েছেন মোহাম্মদ রুবেলও। ইনিংসের শেষ ওভারে জোড়া উইকেট নিয়ে অ্যাডিলেডের বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা আরও কমিয়ে দেন তিনি।
৩৫ রান করা হেনরি হান্ট এবং রানের খাতা খোলার আগেই ব্যাংসকে ফিরিয়ে তিন উইকেট পূর্ণ করেন রুবেল।
শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৬৪ রানেই থামে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স। বাংলাদেশের হয়ে সাকলাইন চারটি, রুবেল তিনটি এবং রনি ও রাকিবুল একটি করে উইকেট নেন।
সাকলাইনের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এখন বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। প্রতিটি ম্যাচেই নিজেকে মেলে ধরতে পারলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে লম্বা রেসের ঘোড়া হয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখাচ্ছেন এই তরুণ।
আর রুবেলও নিয়মিত উইকেট নিয়ে নিজের দাবিটা জোরালো করে চলেছেন।




