বৈশ্বিক খেলা ক্রিকেট এশিয়ান অঞ্চলেই বেশি জনপ্রিয়। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের দ্বৈরথ ক্রিকেটের বাড়িয়েছে উত্তেজনা।
সেই দক্ষিণ এশিয়ান দেশের অন্ধকলহে এবার পদ পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে এশিয়ান কাউন্সিলের দায়িত্বে।
নতুন করে এবার আলোচনায় এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট পদ।

এই মুহুর্তে ভারতের সাথে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয়েরই শীতল সম্পর্ক রয়েছে। তবে সেই শীতলতা পাকিস্তানের সাথেই বেশি ভারতীয়দের।
বাংলাদেশের বর্তমান বোর্ড নানা সময়ই ভারতের সাথে নানা নেগোশিয়নে যাওয়ার চেষ্টাই করেছে বারবার। আর এই শীতলতা সম্পর্ক কমিয়েই এবার এশিয়ান বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হবার দৌড়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধি। পরিস্থিতি রুপ নিয়েছে এমনটাই।
অনেকদিন ধরেই এসিসির দায়িত্বে আছেন পাকিস্তানের মোহসিন নাকভী। নাকভীর আমলে এশিয়া কাপ আয়োজন হচ্ছে ঠিকভাবেই।
তবে ভারত পাকিস্তান দ্বৈরথ মাঠে থাকছেই। দুই দেশের খেলোয়াড়রা হাত মেলাচ্ছেননা। এমনকি পাকিস্তানের নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিচ্ছেনা ভারতীয়রা। পুরুষ দলের পর নারী দলও একই কাজ করতে জানিয়েছে অস্বীকৃতি
যদিও নাকভির বিরুদ্ধেও আছে অভিযোগ। টুর্নামেন্ট চলাকালীন দায়িত্বে থেকেও নানা সময় আক্রমণকারী মন্তব্য করেছেন নাকভি, যার প্রভাব পড়েছে আসর ঘিরে। সব মিলিয়ে অনেকেই বলছেন নাকভির পদত্যাগ এখন যেন সময়ের ব্যাপার।
আর যদি দায়িত্ব ছাড়েন মোহসিন নাকভি, তবে সেক্ষেত্রে আলোচনা থাকবে বাংলাদেশের তামিম ইকবালকে ঘিরে।
স্বাভাবিকভাবেই নাকভি দায়িত্ব ছাড়লে নতুন প্রেসিডেন্ট খুজবে এসিসি। সেখানে সব দেশই তাদের থেকে দিবে নতুন প্রতিনিধি। বাংলাদেশ থেকে সেখানে তামিম ইকবালই যে হবেন প্রতিনিধি, সেটা অনেকটা অনুমেয়।
কিন্ত কেন তামিম ইকবাল এসিসির প্রেসিডেন্ট হবার জন্য এগিয়ে থাকবেন? ২০২৭ সালে এশিয়া কাপের আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ দল।
৬ দলের এই আসর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের মাঠেই। আয়োজন যাতে সুষ্ঠ হয়, এইজন্য বাংলাদেশের বোর্ড প্রেসিডেন্টকে দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেন অনেকে।
এর বাইরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যে ধরণের শীতল সম্পর্ক রয়েছে, তাদের কেউ দায়িত্ব পেলে সেই শীতলতা বাড়তে পারে আরো।
যে কারণে এমন একজনই আছেন ভাবনায়, যিনি এই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন। আন্তজার্তিক মঞ্চে তামিমের পরিচিতি আছে, তার কমিউনিকেশনের জন্যও তিনি খ্যাতি পেয়েছেন বেশ। সব মিলিয়ে বর্তমান অবস্থায় তামিম হতে পারে যোগ্য এক সমাধান।
তবে পুরো বিষয়টিই এখনো আলোচনার পর্যায়ে। তামিম ইকবালকে এসিসির সভাপতি করার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা আসেনি।
নাকভির ভবিষ্যৎ নিয়েও নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না। তাই শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। যদি সত্যিই বাংলাদেশ থেকে নতুন নেতৃত্বের সুযোগ আসে, তামিমের নাম তখন বড় আলোচনায় উঠে আসতে পারে।




