সেনা কন্ডিশনে এমনিতেই খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়না বাংলাদেশ দলের। এর সাথে আবার দক্ষিণ আফ্রিকা আগামী বিশ্বকাপের প্রধান স্বাগতিক দল।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাদের মাঠেই বিশ্বকাপের আগেই সিরিজ খেলার সুযোগ বাংলাদেশের। তাই এই সিরিজে নিজেদের সেরা দল ও সম্ভাব্য বিশ্বকাপের দল নিয়েই মাঠে নামতে চাইবে টাইগাররা।
ওপেনার হিসেবে তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসানের জায়গা নিশ্চিত। তবে একের পর এক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে না পারায় প্রশ্ন উঠেছে সৌম্য সরকারের জায়গা নিয়ে।
যদিও এইবারের মত টিকে যেতে পারেন সৌম্য সরকার। কেননা দক্ষিণ আফ্রিকান বাউন্সি কন্ডিশনে সৌম্য হতে পারেন কার্যকর।
এছাড়া প্রতিপক্ষ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে উজ্জ্বল পরিসংখ্যান সৌম্য সরকারের। অডিয়াইতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬৩ গড় ও ১১৩ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেন সৌম্য সরকার। তাই তামিম, সাইফের সাথে সৌম্যের জায়গাটাও নিশ্চিত।
সর্বশেষ সিরিজে রান না পেলেও এখনও বাংলাদেশের বড় ভরসার নাম নাজমুল হোসেন শান্ত। আগামী বিশ্বকাপেও বড় দায়িত্ব পালন করতে হবে শান্তকে।
লাল বলের অধিনায়ককে সাদা বলে নিতে হবে দায়িত্ব। অপরদিকে শান্তের মত একই প্রত্যাশা থাকবে হৃদয়ের জন্য।
বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে কিছুদিন আগে ৩০০ উর্দ্ধ রানের ইনিংস খেলেন হৃদয়। এছাড়া বর্তমানেও ব্যাট হাতে ছন্দে আছেন তিনি। ফলে তার থেকেও প্রত্যাশা থাকবে এক ধাপ উপরে।
সর্বশেষ ম্যাচে পারফর্ম করে দক্ষিণ আফ্রিকার টিকিট কাটতে পারেন উইকেটরক্ষক পারভেজ হোসেন ইমন। অপরদিকে ইঞ্জুরি থেকে ফিরে আবারো বাংলাদেশ দলের মিডল অর্ডারে ফিরবেন লিটন কুমার দাস। তবে লোয়ার মিডল অর্ডার নিয়ে আছে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন।
দলে ফিরে অষ্ট্রেলিয়ার সাথে ভালো করলেও এরপর ক্রমাগত ব্যার্থ মোসাদ্দেক হোসেন। আর সেখানেই ভক্তদের দাবি সাব্বির রহমানকে ফেরাতে।
বিশেষ করে লেট অর্ডারে দ্রুত রান তুলতে কার্যকর হতে পারেন সাব্বির। তবে এই জায়গায় কাকে সুযোগ দেওয়া হয় শেষ পর্যন্ত তা নির্ধারিত হবে টিম ম্যানেজমেন্টের থেকে
স্পিন আক্রমণে মেহেদী হাসান মিরাজ থাকবেন দলের প্রথম পছন্দ। দক্ষিণ আফ্রিকান ফ্রাঞ্চাইজী লীগে ডাক পাওয়া রিশাদ হোসেনকে ছাড়া নিশ্চয়ই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের কথা ভাববেনা বাংলাদেশ দল।
অপরদিকে নিজের একশন নিয়ে সন্দেহে আলিস আল ইসলাম। এরপরও আলিস আছেন বিবেচনায়, কেননা এ দলের হয়ে তিনি ভালো করেছেন এই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে। সুস্থ্য থাকলে তিনিও যাবেন দলের সঙ্গে।
দলে সুযোগের সম্ভাবনা আছে ৫ পেসারের। মুল আক্রমণে থাকবেন তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও হাসান মাহমুদ। শরীফুল ইসলাম ও আসতে পারেন একাদশে।
আর ব্যাকাপ হিসেবে দলে থাকতে পারেন খালেদ আহমেদ বা রহনত বর্ষণদের মাঝে কেউ। এদের বাইরে অতিরিক্ত ব্যাটার চাইলে জাকের আলীকে নিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ দল।
সব মিলিয়ে এটাই হতে পারে বাংলাদেশের সম্ভাব্য সেরা স্কোয়াড। এবার দেখা যাক, চুড়ান্ত লড়াইয়ে কাদের নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ দল।




