আগের ম্যাচে ছিলেন বেঞ্চে। ইঞ্জুরি থেকে আসার পর সেভাবে ফর্মে ছিলেন না। বিশেষ করে গোল এসিস্ট সেভাবে পাচ্ছিলেন না অনেকদিন ধরে। যে কারণে গত সিজনে ২৬ গোল এসিস্ট করা পাওলো দিবালা চলে গিয়েছিলেন অনেকটা আলোচনার বাইরে।
তবে আবারো পাওলো দিবালা আলোচনায় এলেন। এবং সেটা এলেন নিজের পারফর্মেঞ্চ দিয়ে। রোমার হয়ে সর্বশেষ ম্যাচে দিবালার পারফর্মেঞ্চ তাকে নিয়ে এসেছে আলোচনায়। এদিন পার্মার বিপক্ষে জ্বলে উঠেন দিবালা। করেন হ্যাট্রিক গোল এসিস্ট। তার পারফর্মেঞ্চে বিদ্দ্বস্ত হয়ে যায় বিপক্ষ দল পার্মা। আর তাতে রোমা পায় ৫-০ গোলের জয়।
এদিন ম্যাচের ৮ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পান দিবালা। ম্যাচের ৮ মিনিটে পেনাল্টি পায় রোমা। সেই পেনাল্টি নিতেই এগিয়ে আসেন পাওলো দিবালা। পেনাল্টি পেয়ে নিজের বা পায়ে বা দিকে শট করেন। তবে দিবালার শটের কোন কিনারাই করতে পারেননি গোলরক্ষক। পার্মার গোলরক্ষক জিওন সুজুকি দেন ডানদিকে লাফ। আর তাতেই গোলের দেখা পান দিবালা। লিড পায় রোমা।
এরপর ৫১ মিনিটে গোল পান দিবালা। বেলজিয়ামের এলেক্সিস সালেমেকেরসের বামদিক থেকে বাড়ানো বল থেকে বল পান স্পেনের এঞ্জেলিনো। সেখান থেকে আবার বল পান সালেমেকেরেস। সে বল পেয়ে শট নিলে তা প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে হয় প্রতিহত। সেখানেই ফাকায় বল পান দিবালা। অফসাইড ট্রাপ এড়িয়ে ফাকায় দাঁড়িয়ে ঠান্ডা মাথায় ফিনিশ করতে ভুল করেননি তিনি। আর তাতে গোলরক্ষক বোকা বনে যান। ম্যাচে ৩-০ গোলে লিড পায় রোমা।
এরপর ৮৩ মিনিটে এসিস্টের দেখা পান দিবালা। এঞ্জেলিনোর বাড়ানো বল থেকে ডিবক্সে বল পান রোমার মিডফিল্ডার কোনে। কোনে বল বাড়িয়ে দেন দিবালার উদ্দেশ্যে। নিজের ফিনিশের সুযোগ থাকলেও বোকা বানান ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে। আর সেখানে সময় ও অবস্থা বুঝে বল বাড়িয়ে দেন ফাকায় থাকা ডভবিকের দিকে। ডভবিকের সহজ ফিনিশিংএ ৫-০ গোলে এগিয়ে যায় দিবালা।
এই সিজনে ৬ গোল এসিস্ট দিবালার। ধীরে ধীরে হলেও নিজের ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছেন এই আর্জেন্টাইন। সর্বশেষ আর্জেন্টিনা দলের হয়ে ফিরেও গোল পেয়েছেন। ডি মারিয়াদের না থাকার সময়ে ফুল ফর্মের দিবালাকে দরকার আর্জেন্টিনা দলে। একজন দিবালা নিজের দিনে কি করতে পারেন, সেটারই যেন এক প্রমাণ এই পার্মার বিপক্ষে ম্যাচ।




