সিজনে তার ফুটমব রেটিং ৭.৩৮। প্রিমিয়ার লীগে এর মাঝে ৩ এসিস্ট পেয়েছেন। প্রিমিয়ার লীগে সিটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেটিংধারী খেলোয়াড়৷ কিন্ত এরপরও যেন চলছিল হেটার্সদের মুখ। সিটিতে উইঙ পজিশনে থাকা খেলোয়াড়রা সচারাচর গোল করেননা৷ ফর্মের চুড়ান্ত থাকা গ্রিলিশ এক সিজন আগে করেছেন মাত্র ৫ গোল। তবুও সব সমালোচনা ছিল স্যাভিওকে ঘিরে।
এবার সেই সমালোচনার জবাব দিলেন স্যাভিও। সিটির হয়ে অধরা থাকা গোল তুলে নিলেন এবার লেইস্টার সিটির বিপক্ষে৷ শুধু গোল করলেন এমন না, এর সাথে আবার এসিস্টও আদায় করেন তিনি। এদিন তার গোল এসিস্টেই জয় পায় ম্যানচেস্টার সিটি।
ম্যাচের ২১ মিনিটে লেইস্টারের জালে লক্ষ্য করে বল ছুড়েন ইংলিশ উইঙ্গার ফিল ফোডেন। তবে তাকে ফিরিয়ে দেন হামজার লেইস্টারের গোলরক্ষক স্টোলারকেজিক। অবশ্য বল ঠিকভাবে ক্লিয়ার করতে পারেননি তিনি। তার আগেই দ্রুতগতিতে ছুটে আসেন স্যাভিও। এসেই তার বা পায়ে করেন বুলেটগতির শট। যে শটে আসলে কিছুই করার ছিল না লেইস্টার গোলরক্ষকের। এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার সিটি।
এরপর ম্যাচের ৭৪ মিনিটে লিড ডাবল করে ম্যানচেস্টার সিটি। সেখানেও অবদান এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারের৷ ডি ব্রুইনার পায়ে বল দেখে রান মেক করেন স্যাভিও। এরপর সেখান থেকে বল পেয়ে দারুণ এক ক্রস বাড়িয়ে দেন ফাকায় থাকা হলান্ডের উদ্দেশ্যে। আর সেখানেই গোল আদায় এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের।
গোল ছাড়াও এই ম্যাচে ২ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট করেন, ১ টা বড় চাঞ্চ ক্রিয়েট করেন। এছাড়া দেন ৮৮ ভাগ সঠিক পাস। একবার দেন একুরেট ক্রস। এর আগের ম্যাচে গোল এসিস্ট না করলেও ৭ বার সফল ড্রিবলিং করেন। একবার জিতেন পেনাল্টি, মোট ৭ বার শট করেন ও ২ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট করেন। দল যাই করুক, আক্রমণভাগে ভুমিকা নিয়মিতই রাখছেন স্যাভিও।
একই ম্যাচে নিজে গোল করে ভক্তদের মুখ বন্ধ করলেন। এছাড়া ম্যানচেস্টার সিটিকে অবশেষে আনলেন জয়ের ধারায়। অপরদিকে নাম্বার নাইনে গোলক্ষরায় থাকা হলান্ডকে দিয়ে করালেন গোল। তার সমালোচনা করা হেটার্সদের মুখ করলেন বন্ধ। স্যাভিও দিলেন অনেক প্রশ্নের উত্তর। এমন স্যাভিওকে আগামী দিনে চায় ম্যানচেস্টার সিটি। আর ব্রাজিল সমর্থকরা তো চায় আরো শক্তিশালী হয়ে ব্রাজিল দলে রাজত্ব করুক স্যাভিও।




