আগামী বছর প্রথমবারের মত শুরু হতে যাচ্ছে ক্লাব বিশ্বকাপ। ৩২ দলের আসরে আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হবে এই আসর। এর আগে অবশ্য ক্লাব বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হত। তবে মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের আয়োজন ছিল নামমাত্র। তবে এবার নতুন মোড়কে অনেকটা বিশ্বকাপের মতই আয়োজিত হবে এই আসর। যে কারণে এই আসরকে ঘিরে রয়েছে নানা উন্মাদনা।
ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা কয়েকদিন আগে পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ৷ সেখানে চ্যাম্পিয়ন দলের পকেটে চায় ৫ মিলিয়ন ইউরো৷ তবে নতুন মোড়কে অনুষ্ঠিতব্য এই আসরের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে এই অঙ্কের চেয়ে ২০ গুণ অধিক মুল্য। ক্লাব বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বরাদ্ধ করা হয়েছে ১০০ মিলিয়ন ইউরো। যা বাংলাদেশের টাকায় প্রায় ১৩০০ কোটি টাকা।
গত আসরে ক্লাব বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ান দল পেত ৫ মিলিয়ন ইউরো। রানারআপ দল পেতো ৪ মিলিয়ন ইউরো। তৃতীয় হওয়া দল পেত ২.৫ মিলিয়ন ইউরো, চতুর্থ দল পেতো ২ মিলিয়ন ইউরো। পঞ্চম ও ষষ্ঠ দল পেতো ১.৫ মিলিয়ন ও ১ মিলিয়ন ইউরো।
এবার তার থেকে বহুগুণে বেশি পুরষ্কার দেওয়া হবে দলগুলোকে। এর মাঝে সেমিফাইনাল, ফাইনাল ও চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য অর্থের বরাদ্ধ করা হয়েছে। সেখানে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বরাদ্ধ করা হয়েছে ১০০ মিলিয়ন ইউরো বা ১৩০০ কোটি টাকা। ফাইনালে অংশ নেওয়া দল পাবে ৮০ মিলিয়ন ইউরো যা প্রায় হাজার কোটি টাকার সমান। এছাড়া কেউ সেমিফাইনালে গেলে মিলবে ৬০ মিলিয়ন ইউরো। যা বাংলাদেশের টাকায় ৭৮০ কোটি টাকা।
পুরষ্কারের এই অঙ্কটা ক্লাব ফুটবলে বর্তমানে সবচেয়ে বড় আসর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগের অর্থের চেয়ে বেশি। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগে গত আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়ে এই বছরে রিয়াল মাদ্রিদ আয় করেছে ৭৯ মিলিয়ন ইউরো। সেখানে মাদ্রিদ থেকে ২১ মিলিয়ন অর্থ বেশি পাবে ক্লাব বিশ্বকাপের আগামী সিজনের বিজয়ী দল। এছাড়া ক্লাব বিশ্বকাপের আগামী আসরে মোট পুরষ্কারের মুল্য ধরা হয়েছে ৪ বিলিয়ন ইউরো বা ৪০০ কোটি টাকা। আর সেখানে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগে এই বছর মোট পুরষ্কারে অঙ্ক ছিল ২.৭৯ বিলিয়ন ইউরো। অর্থ্যাৎ অর্থের ঝনঝনানিতে সবাইকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে এই আসরটি। এবার দেখা যাক, অর্থের সাথেও খেলার মানেও অন্য সব আসরকে ছাড়িয়ে যেতে পারে কিনা এই টুর্নামেন্টটি।




