আপনি কি আর কোচিংয়ের দায়িত্বে ফিরবেন না?লিভারপুলের সাবেক কোচ ক্লপ এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন,ফিরবো যদি ব্রাজিল জাতীয় দল,কিংবা রিয়াল মাদ্রিদ আমাকে কোচ করার প্রস্তাব দেয়!
অনেকে বলে নাম আর ইতিহাস দিয়ে কি হয়? কিন্তু এই ইতিহাস গড়ার জন্যইতো মানুষের সব চেষ্টা! আর যে ইতিহাস সমৃদ্ধ জাতীয় দল ব্রাজিল,এবং ক্লাব রাজা রিয়াল মাদ্রিদ!
তাইতো তাদের ডাকে অন্তত না বলা লোকের সংখ্যা কম! এই যেমন লিভারপুলকে বদলে দেওয়া ইয়র্গন ক্লপের মতো কোচও কিনা স্বপ্ন দেখেন মাদ্রিদ কিংবা ব্রাজিল তাকে ডাকবে কোচের জন্য!
স্বদেশি ক্লাব মাইঞ্জের হয়ে ২০০১ সালে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন ক্লপ, এরপর ২০০৮ সালে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের দায়িত্ব নিয়ে একের পর এক সফলতা পেতে থাকেন। তবে তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পান লিভারপুলের কোচ হিসেবে। ২০১৫ সালের অক্টোবরে লিভারপুলের দায়িত্ব নেন ক্লপ।
৩০ বছরের খরা কাটিয়ে তার কোচিংয়েই ২০১৯-২০ মৌসুমে লিগ শিরোপা জেতে দলটি। তার আগের মৌসুমে তারা ঘরে তোলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা। এর বাইরে ক্লাবকে জিতেয়েছেন একাধিক শিরোপা। তাকে নিয়ে বেশ খুশিই ছিল লিভারপুল।
কিন্তু আচমকা তিনি গত মৌসুমে লিভারপুলের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেন। সেটা অবশ্য অন্য কোনো দলের দায়িত্ব নিতে নয়, সাময়িক অবসরে যান তিনি। এরপর গত বছর তিনি অস্ট্রিয়ার কোমল পানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রেড বুল এর হেড অব গ্লোবাল সকার’ হিসেবে যোগ দেন।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদ মাধ্যম ইউওএল নেটওয়ার্ক বলছে, এ চাকরিতে খুশি নন তিনি। আবারও ফিরতে চান কোচিং ক্যারিয়ারে। তবে সেটা কেবল ব্রাজিল কিংবা রিয়াল মাদ্রিদ থেকে প্রস্তাব পেলে তবেই।
একের পর এক ব্যর্থতায় গত মাসে দরিভাল জুনিয়রকে ছাঁটাই করে ব্রাজিলের ফুটবল কনফেডারেশন। ফলে এখন কোচ শূন্য ব্রাজিল। পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের নজরে একাধিক কোচ থাকলেও প্রথম পছন্দ রিয়াল মাদ্রিদের বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে না পেলে ভালো অপশন হতে পারেন ক্লপ।
এদিকে রিয়াল মাদ্রিদ যদি আনচেলত্তিকে ছাটাইও করেন তবুও এতে কষ্ট পাবেন না কার্লো,জানিয়েছেন এমনটাই!
আর্সেনালের কাছে দ্বিতীয় লেগে হারার পর রিয়াল কোচের কাছে সরাসরিই জানতে চাওয়া হয়েছিল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটিই তার শেষ ম্যাচ হতে পারে কি না। প্রতিউত্তরে জানালেন, ‘আমি জানি না এবং জানতে চাইও না। এই মুহূর্তে আসলে এসব নিয়ে কথা বলতে পারি না।’
আরও যোগ করেন, ‘এমনও হতে পারে, ক্লাব ভাবতে পারে পরিবর্তন আনার কথা। সেটা এই বছর হতে পারে বা আগামী বছর আমার চুক্তি শেষেও হতে পারে। কোনো সমস্যা নেই।
যেদিন এখানে আমার পথচলার শেষ হবে, একটি ব্যাপারই করতে পারি, সেটা হলো ক্লাবকে ধন্যবাদ জানানো, সেই দিনটি কালকে হতে পারে, মাসখানেকের মধ্যে হতে পারে কিংবা এক বছরের মধ্যে।’




