পিএসএলে একইসাথে মাঠ মাতিয়েছেন। পেশোয়ারের স্কোয়াডে দুইজনই ছিলেন অবিচ্ছেদ্য অংশ।
একইসাথে দুইজন টানা ম্যাচ খেলেছেন, দলকেও জিতিয়েছেন একের পর এক ম্যাচ। তবে কিউইদের বিপক্ষে সিরিজে একাদশে জায়গা মিলবেনা দুইজনের। নাহিদ বা শরীফুল, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে জায়গা পাবেন একজনই।
দুইজনের মাঝে একজন জায়গা পাবেন নানা কারণে। একদিকে আছে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট।
পিএসএল থেকে বাংলাদেশে এসেছেন, আছেন টানা ম্যাচ খেলার উপরে। সেখানে শরীফুল ইঞ্জুরিপ্রবণ বোলার, নাহিদ যে পেসে বল করেন তার জন্যও ইঞ্জুরি হতে পারে সাধারণ সমস্যা।
তাই এই দুইজনের মাঝে এক বা একাধিকজন পেতে পারেন বিশ্রাম৷ অপরদিকে টিম কম্বিনেশনের জন্যও দলে জায়গা হারাতে পারেন একজন।
কেননা মুস্তাফিজুর রহমানের মুল একাদশে জায়গা নিশ্চিত। তার সাথে দলে থাকবেন অভিজ্ঞ তাসকিন আহমেদ। পাওয়ারপ্লে, ডেথ সবদিকেই বোলিং এর দক্ষতা সাথে ফর্ম, তাসকিনকেই শুরুর একাদশে দেওয়া হবে সুযোগ। এদের সাথে তৃতীয় পেসার হিসেবেই লড়াই হবে নাহিদ ও শরীফুলের

নাহিদ রানা ফর্মে আছেন। সর্বশেষ অডিয়াই সিরিজেও ভালো করেছেন পাকিস্তানের বিপক্ষে।
কিউইদের বিপক্ষে যদি ভালো উইকেট থাকে, যদি মাঠে এক্সট্রা বাউন্স থাকে তবে নাহিদ পাবেন সুযোগ। আর যদি কিউইদের দলে ডানহাতির আধিক্য থাকে, যদি তুলনামূলক ধীরগতির উইকেট হয়, তবে শরীফুলকে একাদশে রাখবে টিম ম্যানেজমেন্ট।
স্পিনার হিসেবে দলে আছেন ৩ জন। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ অলরাউন্ডার হিসেবে দলে থাকবেন নিশ্চিত। তার সাথে স্পিন আক্রমণে রিশাদ হোসেন ও তানভীর ইসলাম। রিশাদ শেষ পাকিস্তান সিরিজে ভালো করেছেন। তবে পিএসএলে ভালো করতে পারেননি। এরপরও দুই কারণে তানভীরের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন তিনি। একদিকে লেগ স্পিনে রিশাদ এখন ওয়ার্ল্ড ক্লাশ, প্রতিপক্ষকে দিতে পারেন ভড়কে। আবার অন্যদিকে ব্যাটিং ডেপথ বাড়ানোর জন্য রিশাদ দারূন অপশন। কেননা দলে তেমন পেস বোলিং অলরাউন্ডার না থাকায় শেষদিকে ব্যাট হাতে দ্রুত রান করার দায়িত্ব নিতে হবে রিশাদকেই। যে কারণে অন্তত শুরুর ম্যাচে রিশাদই থাকবেন একাদশে।
ফিজ, তাসকিন, নাহিদ, মিরাজ ও রিশাদ, এটাই হতে পারে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশের বোলিং লাইনআপ। শেষ মুহুর্তে স্লো উইকেট হলে শরীফুল আসবেন দলে। তবে প্রথম ম্যাচে একাদশে সুযোগের সম্ভাবনা কম তানভীরের। এবার দেখা যাক, কোচ ও টিম ম্যানেজমেন্ট সুযোগ দেন কোন ৫ বোলারকে।




