নেইমার এমন একজন খেলোয়াড় যে গোলকিপার ছাড়া সব পজিশনেই খেলতে পারে! তবে রাফার মতে গোলবারে খেলানোটা উচিৎ হবেনা।
মজার ছলেই তিনি বলেন, “নেইমারকে সব পজিশনে মানানো গেলেও, গোলরক্ষক হিসেবে দেখা একেবারেই উচিত হবে না।
রাফিনহার ভাষায়, “আমি জানি অনেকে সমালোচনা করবে, কিন্তু আমার মতে, নেইমারকে গোলরক্ষক হিসেবে খেলানো মানে তাকে গোল থেকে অনেক দূরে পাঠানো, যেখানে সে আমাদের আক্রমণে কোনো সাহায্যই করতে পারবে না।”
এই মন্তব্য নিছক রসিকতা হলেও, নেইমারের দক্ষতা, প্রভাব এবং গুরুত্ব নিয়ে রাফিনহার মনোভাব খুবই আন্তরিক ও শ্রদ্ধাপূর্ণ।
তিনি জানান, নেইমার কেবল জাতীয় দলের নয়, ক্লাবের হয়েও একজন অমূল্য রত্ন।
নেইমারের হাঁটুর চোট এবং এর পরবর্তী পেশির সমস্যাগুলোর প্রসঙ্গও উঠে আসে রাফিনহার কথায়।
তিনি বলেন, “হাঁটুর মতো গুরুতর চোট থেকে ফিরতে গেলে সময় লাগে, এবং তখন অন্যান্য চোটও দেখা দিতে পারে।
কিন্তু মানুষ তা বুঝতে চায় না, বরং সমালোচনা করতেই বেশি পছন্দ করে।”
রাফিনহার মতে, নেইমার কেবল একজন খেলোয়াড় নন, বরং দলের একজন নেতা, অনুপ্রেরণা এবং মেন্টর।
মাঠে তার উপস্থিতি দলের মনোবল বাড়িয়ে দেয়।
নেইমারের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে রাফিনহা বলেন, “আমরা সুযোগ পেলে ওর বাড়িতে যাই, পরিবারটাকেও চিনি।
নেইমার একজন অসাধারণ মানুষ, সবসময় নিজের ফিটনেস আর খেলা নিয়ে সচেতন।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আজকাল এত বেশি ম্যাচ আর ভ্রমণের চাপ যে, ছোটখাটো ইনজুরিও এড়ানো যায় না।
কিন্তু নেইমার নিজের শরীরের পেছনে অনেক যত্ন নেয়। সে শুধু ফিরে আসতে চায় না, সে চায় জয়ের জন্য ফিরে আসতে।”
নেইমার সম্পর্কে অনেক কথা থাকলেও,সব ব্রাজিলিয়ান ফুটবলারদের কাছেই দলটির ইতিহাসের সের এই স্কোরের সম্মান রয়েছে।




