সিরিজের প্রথম ম্যাচ, ব্যাট হাতে টার্গেট বিশাল। প্রতিপক্ষ দলে আছে উবাইদ শাহ, মোহম্মদ ওয়াসিমের মত পেসার, আছেন সালমান আজিজ সহ অন্যান্য বোলার।
আর সেখানে ২২৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বাংলাদেশ হারায় নাইম শেখের উইকেট।
আর সেখানে মনে হচ্ছিল যেন এই ম্যাচে পাওয়ার নেই কিছু বাংলাদেশের।
তবে সেখান থেকে বাংলাদেশকে টেনে তোলে এক জুটি। শুধু যে টেনে তোলেন এমন নয়, বাংলাদেশকে জয়ের স্বপ্ন ভালোভাবে দেখাতে শুরু করেন।
উইকেটের চাপ নয়, নিজের স্বভাবসুলভ ব্যাটিং করেন দুইজন। জিসান যেন ছিলেন বেশি আগ্রাসী, ১৭ বলে করেন ৩৩ রান।
অপরদিকে অর্ধশতক তুলে নেন সাইফ।
এই দুইজনের ব্যাটে একটা সময় ১৩ এর উপর থাকে বাংলাদেশ রান রেট। রিকুয়ের রেট এসে যায় ১০ এর ঘরে।
এছাড়া দুইজনে করেন বিশাল পার্টনারশিপ। বাঘের মত কিভাবে খেলতে হন, সেটাই যেন বুঝিয়ে দেন এই দুইজন।
জাতীয় দলে চাই ব্যাকাপ ওপেনার। সেখানে অনকদিন ধরেই আলোচনায় ছিলেন জিশান আলম।
তরুণ এই ওপেনার বয়সভিত্তিক দল থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং এর জন্য বিখ্যাত। এরপর হংকং সিক্সার্স বা সব জায়গায়ই নিজেকে মেলে ধরেছেন তিনি। ঘরোয়া আসরেও ব্যাটিং করেন আগ্রাসী ভাবে। অষ্ট্রেলিয়ায় এসেও ধরে রেখেছেন সেই ভাব
অপরদিকে অনেকদিন ধরেই পারফর্ম করে আসছেন সাইফ হাসান।
বিপিএল ও এনসিএলে ভালো করেছেন। এরপর গ্লোবাল সুপার লীগে রংপুরের হয়ে ভালো করেছেন। নিজের শটের রেঞ্জে অনেক উন্নত করেছেন।
ফলে জাতীয় দলে আসার আগে তাকে এ দলের সফরে পাঠায় বিসিবি। সেখানে শুরুর পরীক্ষায় লেটার মার্ক্স সাইফের।
হয়ত এই ম্যাচের ফলাফল হতে পারে যেকোন কিছু। তবে সাইফ জিসানরা যেন একটা বার্তাই দিয়ে রাখলেন সবাইকে।
টার্গেট যতই হোক না কেন, বাংলাদেশ এখন পিছপা হয়না। তাদের লড়াইয়ের সামর্থ্য আছে, আছে সঠিক এপ্রোচ।
এই এপ্রোচ আগামী দিনে এগিয়ে দেবে বাংলাদেশ দলকে।




