ইঞ্জুরিতে দলের তারকার ঘাটতি। দলে নেই ফোফানা, লাভিয়া, কুকুরেলার মত খেলোয়াড়, কার্ড জটিলতায় নেই মাঝমাঠের ইঞ্জিন কাইসেদো।
অগত্য তাই রিস জেমসকে নিয়ে মাঝমাঠে নেমে গেলেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। প্রতিপক্ষ ম্যানচেস্টার সিটি, যারা শেষ ১০ ম্যাচে জয় পেয়েছে ৮ ম্যাচে। আর সেখানেই তাদের মাঠে এক পয়েন্ট নিয়ে আসে চেলসি দল। যার নেপথ্যের নায়ক একজন, এঞ্জো ফার্নান্দেজ।
৪২ মিনিটে পিছিয়ে পড়া চেলসির হয়ে এঞ্জো ফার্নান্দেজ গোল করেন ৯৪ মিনিটে, ম্যাচ শেষ হবার মিনিট এক আগে।
বামদিক থেকে বাড়ানো বলে ডিবক্সে চলছিল হট্টগোল, এঞ্জো এসে সেখানেই জায়গা খুজে নিলেন। শেষ সময়েও মাথা রাখলেন ঠান্ডা, বল জড়ালেন জালে। আর তাতেই ম্যাচে সমতা চেলসির।
এই এক গোলেই এঞ্জোকে হাইলাইট করা যায় যথেষ্টভাবে। এর আগের দিনও করেছেন এক গোল।
যেখানে প্রতিপক্ষ বোর্নমাউথের সাথে ২-২ গোলে ড্র করে চেলসি। অর্থ্যাৎ এঞ্জোর গোলে সেখানেও আসে পয়েন্ট। তবে গোলেই সীমাবদ্ধ থাকেননি এঞ্জো।
পুরো ম্যাচে সর্বোচ্চ ৭ টি ট্যাকেল জয় করেন এঞ্জো। একইভাবে ম্যাচে ৫০ এর বেশিরভাগ হারে জিতেন ৭ টি ট্যাকেল।
সর্বোচ্চ ৩ টি শট করেন, এমনকি অন টার্গেটেও সর্বোচ্চ ২ শট করেন। চাঞ্চ ক্রিয়েটও করেন ২ টি, যা ম্যাচে সর্বোচ্চ।
একবার ক্রিয়েট করেন বিগ চাঞ্চ। এর বাইরে ৩ বার ক্লিয়ারেন্স ও ৫ বার রিকভারি করেন। সব মিলিয়ে দুর্দান্তই এক ম্যাচ উপহার দেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ।
গত বিশ্বকাপে তুলনামুলক তরুণ থেকে বিশ্বকাপে যান এঞ্জো। আর সেখানে পারফর্ম করে সবাইকে চমকে দেন।
।দলকে শিরোপা জেতান, একইসাথে হন বিশ্বকাপের সেরা তরুণ খেলোয়াড়। বর্তমানে ২৪ বছর বয়সী এঞ্জো অনেক পরিণত।
তাকে ঘিরে প্রত্যাশাও বাড়তি আর্জেন্টিনার ভক্তদের। সেই প্রত্যাশা পুরণ করতে হবে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয় করতে হলে।
বিশ্বকাপের আগে এঞ্জোর তাই সেরা ফর্মে থাকা ছিল জরুরী। সেই ফর্মটাই এঞ্জো দেখাচ্ছেন ক্লাবের হয়ে। আগামী জুনে আকাশী নীল জার্সিতে এঞ্জোর থেকে এমন খেলাটাই চাইবেন ভক্তরা।




