গতকাল চ্যাম্পিয়নস লীগের ১৮ টি ম্যাচ ছিলো।সেখানে ২ টি ম্যাচ ছিলো রিয়াল মাদ্রিদ ও তাদের রাইভাল বার্সেলোনার। যদিও প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে শীর্ষ আটে থেকে সরাসরি শেষ ষোলতে বার্সেলোনা, তবে বেনফিকার কাছে ৪ গোল হজম করেছে রদ্রিগো-ভিনি-এমবাপ্পেরা।
ম্যাচের শুরুতেই অবশ্য ধাক্কা খায় বার্সা। চতুর্থ মিনিটেই ১৭ বছর বয়সী ভিক্টর দাদাসনের গোলে এগিয়ে যায় কোপেনহেগেন। মোহাম্মদ এলইউনুসির থ্রু-পাসে বার্সেলোনার হাই ডিফেন্স লাইন ভেঙে দাদাসন একাই ছুটে গিয়ে নিচু শটে বল পাঠান জালে, স্তব্ধ হয়ে যায় ক্যাম্প ন্যু।
প্রথমার্ধে বার্সেলোনা বারবার আক্রমণ করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা পায়নি। রাফিনিয়া ও লেভানডোভস্কি সুযোগ নষ্ট করেন, আর ৩৩ মিনিটে এরিক গার্সিয়ার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে, হতাশায় ডুবে যায় স্বাগতিক সমর্থকরা।
কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই বদলে যায় পুরো চিত্রনাট্য। বিরতির পরপরই আক্রমণের গতি বাড়ায় বার্সেলোনা। ৪৮ মিনিটে লামিনে ইয়ামালের দুর্দান্ত দৌড় ও নিখুঁত পাসে ফাঁকা জালে বল ঠেলে সমতা ফেরান রবার্ট লেভানডোভস্কি। এরপর ৬০ মিনিটে নিজেই গোল করেন ইয়ামাল, ডিফ্লেক্টেড শটে কোপেনহেগেন গোলরক্ষক ডমিনিক কোটারস্কিকে অসহায় করে দিয়ে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন তিনি।
এরপর ম্যাচ পুরোপুরি বার্সেলোনার নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। ৬৯ মিনিটে লেভানডোভস্কি বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি থেকে রাফিনিয়া স্কোরলাইন ৩-১ করেন। শেষ ধাক্কাটা আসে ৮৫ মিনিটে, বদলি হিসেবে নামা মার্কাস রাশফোর্ড ফ্রি-কিক থেকে দারুণ গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন ৪-১।
ভিন্ন পরিস্থিতি অবশ্য রিয়াল মাদ্রিদের ম্যাচে,
ম্যাচের শুরুটা ভালোই করেছিল রিয়াল।
৩০ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে যায় তারা। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি স্প্যানিশ ক্লাবটি। ৩৬ মিনিটে ২১ বছর বয়সি আন্দ্রেস শেলডেরাপ গোল করে বেনফিকাকে সমতায় ফেরান। প্রথমার্ধের শেষভাগে আবারও গোল করে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৪ মিনিটের মধ্যেই নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন শেলডেরাপ।
৫৮ মিনিটে এমবাপ্পে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচে ফেরান রিয়ালকে। তখন সমীকরণ ছিল জটিল,রিয়ালের সামনে শেষ আটে ঢোকার সুযোগ, বেনফিকার সামনে নকআউট নিশ্চিত করার হাতছানি। সেই উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে যোগ করা সময়ে গোলরক্ষক ত্রুবিনের হেডে গোলই সব বদলে দেয়। বেনফিকা উঠে যায় ২৪ নম্বরে, আর রিয়াল নেমে যায় ৯-এ।




