অস্ত্রোপচার এর পর খুব বেশি সময় নেননি। মাঠের ফুটবলের দিকে ফিরেছেন দ্রুত। তবে আনুষ্ঠানিক ফেরাটা ছিল বাকি।
এবার সেটার জন্য প্রস্তত নেইমার জুনিয়ার৷ বল পায়ে সতীর্থদের সাথে পুরোদমে অনুশীলনে এই ব্রাজিলিয়ান, মুহুর্ত এবার দলে ফেরার।
ডিসেম্বরে দলকে নিয়ে স্বপ্নপুরণ করেন। টানা কয়েক ম্যাচ জেতান, দলকে রেলিগেশন থেকে বাচান।
একইসাথে নিয়ে যান কোপা সুদারআমেরিকার মত মহাদেশীয় আসরে। তবে সে কাজের জন্য নেইমারকে করতে হয়েছে ত্যাগ। হাটুকে কথা শোনাতে হয়েছে জোড় করে, নিতে হয়েছে অনেক যন্ত্রনা। যে কারণে আসর শেষে ছুড়ি কাচির নিচে নেইমার জুনিয়ার। লক্ষ্য ছিল সুস্থ্য হয়ে ফেরার।
অন্য সময় ইঞ্জুরি ভালোই ভোগায় নেইমারকে। তবে এবার তার ফেরার প্রসেসটা শুরু হলো দ্রুতই।
অপারেশনের পর দ্রুতই ফিরলেন জিমে। এরপর সতীর্থদের সাথে রানিং ও স্ট্রেচিং সহ অন্য অনুশীলন করেন নিয়মিত। তবে পুরোপুরি রিদমে ফেরা ছিল বাকি। এবার সেটাই করলেন নেইমার।
সান্তোসের সতীর্থদের সাথে এবার পুর্ণ অনুশীলন করলেন নেইমার। সেখানে নেইমারকে সবার সাথেই প্রতিযোগিতা করে অনুশীলন করতেই দেখা যায়। এর বাইরে বল পায়ে স্কিল অনুশীলন করেন তিনি। সতীর্থদের সাথে কাটান ভালো সময়। সেখানে নেইমারকে পুর্ণ ছন্দে দেখা যায়। অর্থ্যাৎ ম্যাচ খেলার জন্য ফিট তিনি, সেটাই জানিয়ে দিলেন এবার।
নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে সিরিআ তে সাও পাওলোর বিপক্ষে নামবে সান্তোস। সেখান থেকেই শুরুর কথা আছে নেইমার জুনিয়ারের।
তবে একাধিক সুত্রে বলছে নেইমারকে সুস্থ্য হতে ও পুরোপুরি ফিট হতে আরো কিছুদিন দিতে চায় সান্তোস। আর সেটা যদি হয় তবে ৯ তারিখই দেখা যাবে নেইমার জুনিয়ারকে। সেখানে নরেস্তের বিপক্ষে মাঠে নামবে সান্তোস, যা দিয়ে প্রত্যাবর্তন হবে নেইমারের।
নেইমার এবার ফিরলে আর পিছনে তাকাতে চাইবেন না। বিশ্বকাপের বাকি নেই আর ৫ মাস।
এর মাঝে ফিটনেস ও পারফর্মেঞ্চ, দুইদিকেই নিজেকে প্রমাণের বাকি নেইমারের। ইঞ্জুরিমুক্ত থাকলে সে কাজে নেইমার পাস করবেন, সেটা সবারই জানা। আর তাই ভক্তদের প্রার্থনা, বিশ্বকাপ পর্যন্ত ইঞ্জুরিমুক্তই যেন থাকেন নেইমার, পিছনে যেন আর ফিরে তাকাতে না হয়।




