ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জন ছিল আগেই। গত মৌসুম শেষে রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্বে আসেন জাভি আলান্সো।
আলান্সোর আমলে ঠিক সেভাবে প্রাধান্য পাচ্ছিলেন না রদ্রিগো। যে কারণে তখনই গুঞ্জন উঠেছিল ক্লাব ছাড়বেন রদ্রিগো। তবে নতুন মৌসুমে পুরোনো ক্লাবের হয়েই খেলতে নামেন এই সেলেসাও তারকা।
তবে বছর না ঘুরতেই আবারো আলোচনায় রদ্রিগোর ক্লাব ছাড়া। ইয়াহু স্পোর্টস, মিক্স ভেল, এনফিল্ড ওয়াচ সহ একাধিক গণমাধ্যম এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।
তাদের মতে এই মৌসুম শেষে এবার রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়তে পারেন রদ্রিগো গোয়েস। বিশ্বকাপের পর নতুন ঠিকানা খুজবেন এই তারকা।
আর সেখানেই আগ্রহী আছে একাধিক ক্লাব। গত মৌসুমে রদ্রিগোকে নিতে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী নাম ছিল লিভারপুল।৷
নতুন করে আবারো অলরেডদের নাম এসেছে আলোচনায়। গত মৌসুমে রদ্রিগোকে না পাওয়ার পর মার্কেট থেকে একাধিক খেলোয়াড় ক্রয় করে লিভারপুল
তবে দলে আসা রির্টজ বা ইসাক কেউই সেভাবে নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠতে পারেননি। এর বাইরে আগামী মৌসুমে বিদায় নেওয়ার গুঞ্জন আছে মিশরের মোহম্মদ সালাহ এর।
আর সেখানেই ভরসাযোগ্য একজন রাইট উইঙ্গার খুজছে লিভারপুল৷ যেখানে রদ্রিগোর দিকেই বড় আগ্রহ তাদের।
ইপিএলের ক্লাবের বিপক্ষেও রদ্রিগোর পরিসংখ্যান দারুণ। ম্যানচেস্টার বা লিভারপুলের সাথে দারুণ পারফর্মেঞ্চ করেছেন তিনি।
বয়সে এখনও তরুণ, যেকোন ক্লাবে খেলতে পারবেন দীর্ঘদিন। একইসাথে রিয়াল মাদ্রিদের মত ক্লাবে প্রায় ৩০০ ম্যাচ খেলে ১০০ এর অধিক গোল এসিস্ট করেছেন রদ্রিগো।
আক্রমণভাগে ভার্সেটাইল তিনি, একাধিক পজিশনে খেলতে পারেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই তারকার দিকে নজর পড়বে অনেক ক্লাবের। বিশেষ করে লিভারপুলের যেসব জায়গায় দুর্বলতা বা চাহিদা, তার যোগ্য বিকল্প হতে পারেন রদ্রিগো।
শুধু লিভারপুল নয়, রদ্রিগোকে পাওয়া দৌড়ে আছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও চেলসি। এই দুই ক্লাবও নিজেদের পুরোনো আধিপত্য পেতে দল সাজাচ্ছে নিয়মিত। সেখানেই ভার্সেটাইল রদ্রিগোর দিকে নজর এই দুই ক্লাবের।
আর যে কারণে তাকে দলে নিতে চাইলেও কড়া মুল্য দিতে হবে তাদের। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের মত রদ্রিগোকে নিতে লিভারপুল বা অন্য ক্লাবকে দিতে হবে ৮৭ মিলিয়ন ইউরো।
যা বাংলাদেশের টাকায় হয় ১১০০ কোটি টাকার অধিক। তবে এত দাম দিয়ে হলেও তাকে দলে নেওয়ার আগ্রহের কথা অনেক ক্লাবের থেকে হয়েছে প্রকাশ। এবার দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কোথায় হয় এই ব্রাজিলিয়ান তারকার ঠিকানা।




