আর্জেন্টাইন ভক্তদের কাছে তিনি যে মানবিকতার এক প্রতীক। অনেকে তো তাকে শান্তিতেও দিয়ে দেন নোবেল পারলে।
অনেকেই বলেন মেসি ফুটবলার স্বত্তার চেয়ে মানবিক স্বত্তা বেশি আকর্ষণীয়। ভক্তদের সেই শান্ত মেসিই এবার গেলেন রেফারিকে মারতে।
এমন দৃশ্য ঘটেছে এমএলএসের সর্বশেষ ম্যাচের পর। নতুন মৌসুমের শুরুটা ভালো হয়নি মেসির দলের।
সেখানে লস এঞ্জেলস এফসির বিপক্ষে তার দল ইন্টার মায়ামি হারে ৩-০ গোলের ব্যাবধানে। হিউং মিন সনের হয়ে শুরুতে গোল করেন ডেভিড মার্টিনেজ। ৭৩ মিনিটে বৌয়াঙ্গা গোল করে লিড ডাবল করেন।
আর অতিরিক্ত সময়ে গোল করেন বদলি নামা অরডাজ। গোল না পেলেও এসিস্ট করেন সন
তবে গোল এসিস্ট কিছুই পাওয়া হয়নি মেসির, উলটো করলেন বদ আচরণ। ম্যাচ শেষের ফুটেজেই উঠে আসে সে আচরণ।
যেখানে দেখা যায় ড্রেসিংরুমের দিকে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। তবে সেখানে শান্তভাবে নয়, বরং হিংস্রভাবে তেড়ে যাচ্ছিলেন তিনি।
রেফারির দিকেই ক্ষোভ ছিল তার, এমনটাই প্রকাশ করে স্পোর্ট বাইবেল সহ একাধিক ওয়েবসাইট। তারা জানায় রেফারিং এর ক্ষোভ নিয়ে রেফারির দিকে তেড়ে যাচ্ছিলেন মেসি।
এমনকি অপ্রীতিকর কিছুও করার ছিল সম্ভাবনা। তবে তার সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ তাকে সামলালে সে যাত্রায় হয়নি তেমন কিছু।
এমএলএসের এই আসরটা মাত্র শুরু হয়েছে। প্রথম ম্যাচ হারলেও ঘুরে দাড়ানোর অনেক সুযোগ থাকবে।
এর বাইরে এর আগেও এমএলএস জয় করেছেন মেসি। সবকিছু মিলিয়ে এক ম্যাচে যদি ফলাফল এদিক ওদিক হয়, যে কারো জন্যই এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক থাকার কথা। কিন্ত কুল বয় মেসি এদিনও ধারণ করলেন রুদ্রমুর্তি।
বারবার মেসির দলের বিপক্ষে আসে বাজে ও পক্ষপাতমুলক রেফারিং এর আচরণ। এবার এক ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত পক্ষে না আসায় স্বয়ং লিওনেল মেসিই যান রেফারির দিকে তেড়ে। এমন দৃশ্য কোনভাবেই শান্ত মেসিকে তুলে ধরেনা।
সেটা যাই হোক, লিওনেল মেসির এমন আচরণ অখেলোয়াড় সুলভই অনেকটা। বিশেষ করে এই বয়সে এই ধরণের লীগে মেসির তেড়ে যাওয়া মোটেও মাননসই না।
এমন লীগেই যদি তেড়ে যান মেসি, বিশ্বকাপে সিদ্ধান্ত বিপক্ষে গেলে যে মেসি তেলেবেগুণে জ্বলে উঠবেন না, সেই সিদ্ধান্ত দিতে পারবেননা কেউ। সেটা আর্জেন্টিনার জন্য হীতকর হয় কিনা, এটাই দেখার বিষয়।




