নেইমারদের সাবেক গুরু রোজারিও মিকেল, আরেকদিকে হাঙ্গেরির সাবেক কোচ বার্নাড।
বাফুফের দরবারে কোচদের বিশাল তালিকা। যেখানে চুড়ান্ত ২২ জনের তালিকায় অভাব নেই হাই প্রোফাইল কোচের।
৩০০ জনের পাওয়া আবেদন থেকে তালিকা এসেছে ২২ জনে, সেখানেও অভাব নেই বড় নামের।
কিন্ত বড় নাম নিতে হলে কিছু প্রক্রিয়া অবশ্য অনুসরণ করতে হয়। বাংলাদেশের সাবেক কোচ ছিলেন হাভিয়ের কাবরেরা।
যার যোগ্যতা নিয়ে ছিল একদিকে প্রশ্ন। আবার তার কোচিং স্টাইল, একাদশ যাচাই নিয়েও তাকে প্রশ্নবাণে বিগ্ধ করেছেন অনেক ভক্ত।
ভক্তদের চাওয়া তাই ভালোমানের কোচের। যিনি অভিজ্ঞতায় ও ট্যাক্টিক্সে হবেন কাবরেরার চেয়ে অনেক উন্নত।
বাফুফের চাওয়াও যেন সেটা। আর সে অনুসারে আবেদনও এসেছে তাদের কাছে। তবে ভালো ও হেভিওয়েট কোচকে আনতে হলে বাড়াতে হবে বেতন।
সেই কাজটাই করতে যাচ্ছে বাফুফে। কাবরেরকে মাসিক ১৩ হাজার ডলার দিতো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। শুরুতে কোচ নিয়োগের আগে বাফুফে আগের কোচ থেকে বেতন বাড়িয়ে ১৭ থেকে ১৮ হাজার ডলার বেতনের কথা উল্লেখ করে।
তবে হাই ভোল্টেজ কোচ দেখে বাফুফে আরো কয়েক দফায় বাড়িয়েছে বেতন কাঠামো।
বর্তমানে ২৭ থেকে ২৮ হাজার ডলার মাসিক বেতন দিতে প্রস্তত বাফুফে। এমনকি সেটা হতে পারে ৩০ হাজার ডলারেও। অর্থ্যাৎ মাসিক ৩০ লাখ টাকা দিয়ে হলেও ভালো কোচকেও চাচ্ছে বাফুফে। দ্বিগুণ অর্থ করতেও করছেনা কার্পণ্য।
তবে সেখানে নিজেদের মত করে বাছাই করছে ফুটবল ফেডারেশন, এমনটা নয় মোটেও। কোচ নির্বাচনে এর মাঝে কমিটি দিয়েছে তারা।

সেখানেই অবশ্য থেমে থাকছেনা তারা। যাদের জন্য এই কোচ, এবার নেওয়া হবে তাদের মত। বিশেষ করে দলের বড় সুপারস্টার হামজা চৌধুরি।
বিশ্ব ফুটবলে হামজা খেলেছেন বড় বড় কোচদের অধীনে, তাই এ নিয়ে ভালো জ্ঞান আছে তার। সেখানেই আলাদাভাবে নেওয়া হবে তার মত। কোচ নির্বাচনে হামজার পরামর্শ কাজে লাগাতে চাইবে বাফুফে।
সব মিলিয়ে বলা যায় ভালো কিছুর প্রত্যাশায় এবার কাজ করছে বাফুফে।
নতুন কোচের অধীনে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে সাফে টানা সেরাদের কাতারে থাকা।
একইসাথে এশিয়ান অঞ্চলেও নিজেদের অবস্থান তৈরি করা ও এশিয়ান গেমসে যাওয়া। আর সে উদ্দেশ্যেই এবার বেতন বাড়িয়ে হেভিওয়েট ও ভিশনারি কোচ নিয়োগের সামনে বাফুফে।




