অপেক্ষার প্রহর শেষ। চার বছর পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে পা রাখতে যাচ্ছে ব্রাজিল।
ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে সফল দলটি আজ শুরু করবে নিজেদের নতুন অভিযান। আজ থেকেই শুরু হতে পারে ব্রাজিলের বহুল প্রতীক্ষিত হেক্সা জয়ের গল্প। আবার এটাও হতে পারে আরেকটি বিশ্বকাপ, যেখানে শেষ পর্যন্ত স্বপ্ন ভেঙে যাবে বাস্তবতার কঠিন দেয়ালে।
বিশ্বকাপ এলেই ব্রাজিলকে ঘিরে প্রত্যাশার পাহাড় তৈরি হয়। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দিকে তাকিয়ে থাকে পুরো পৃথিবী।
হলুদ জার্সি গায়ে নামা প্রতিটি খেলোয়াড় জানে, তারা শুধু নিজেদের জন্য খেলছে না, খেলছে কোটি কোটি মানুষের আশা ভরসার প্রতিনিধিত্ব করে।
তাই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকেই শুরু হয়ে যায় সেই চাপ, সেই দায়িত্ব, সেই স্বপ্নপূরণের লড়াই।
গত কয়েকটি বিশ্বকাপের স্মৃতি অবশ্য ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য সুখকর নয়। প্রতিবারই শক্তিশালী দল নিয়ে এসেছে সেলেসাওরা, প্রতিবারই শিরোপার দাবিদার হিসেবে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোথাও না কোথাও এসে থমকে গেছে তাদের যাত্রা। কখনো ইউরোপিয়ান শক্তির কাছে, কখনো নিজেদের ভুলে, কখনো ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে। ফলে এবারও অনেকের মনে প্রশ্ন,এই দল কি সত্যিই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো প্রস্তুত?
সেই আলাপের কিছু অংশ দেখা যাবে আজকের দিনেই। আজ রাত পোহাবার আগে নামবে ব্রাজিল দল। ভিনিসিয়াস, এলিসনরা নামবেন হাকিমি, জিয়েখদের মরোক্কোর বিপক্ষে।।কথায় আছে মর্নিং শোজ দ্যা ডে। ব্রাজিল বিশ্বকাপে কেমন করবে, তার কিছুটা হলেও প্রতিফলন দেখা যাবে এই ম্যাচেই। র্যাংকিংএ আটে থাকা মরোক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচ প্রমাণ করবে, শিরোপা জয়ে কতটা দাবিদার তারা।
২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে বিদায়, এরপর ২০২৬ বিশ্বকাপে মরোক্কোর সাথে শুরু। এবার নিজেদের হারের লুপ বদলাতে চাইবে ব্রাজিল। তবে ভক্তদের জন্য প্রত্যাশা যেমন থাকবে, আবার সুযোগ থাকবে উপভোগ। সেলেসাওদের থেকে কম বেশি হলেও দুটিই পায় ভক্তরা। যে কারণে এবার গর্জন শোনা যাবে তাদের পক্ষে সারাবিশ্বে, তাতে নেই সন্দেহ।
এখন শুধু অপেক্ষা। বাঁশি বাজবে, বল গড়াবে, আর বিশ্বকাপের মঞ্চে শুরু হবে ব্রাজিলের নতুন অধ্যায়। হেক্সার পথে প্রথম পদক্ষেপ, নাকি আরেকটি হতাশার সূচনা সেটাই দেখার অপেক্ষা এখন। তবে ব্রাজিল ভক্তরা চাইবে এবার প্রথম অপশনেই যাতে মেলে তাদের সমাধান।




