শুরুর ম্যাচে করেছিলেন ৩০ রান। এরপরের ম্যাচে ৪০ করে ছাড়েন মাঠ। দুই ম্যাচেই তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাট হেসেছিল।
তবে অন্যদের ভীরে স্পটলাইট পাচ্ছিলেন না তিনি। সিরিজের শেষ ম্যাচে এসে কাড়লেন সেই স্পটলাইট। এবার অজিদের বিপক্ষে শতকের কাছাকাছি হৃদয়। তার ৮৮ বলে ৮৩ রানের ইনিংসটিই শেষ পর্যন্ত গড়ে দেয় পার্থক্য।
যখন নামেন তখন এর মধ্যে ৩ উইকেট হারানো দল বাংলাদেশ। ১৪ ওভার শেষে টাইগারদের রান মাত্র ৬১।
সেখান থেকেই লিটন দাসকে নিয়ে জুটি গড়েন হৃদয়। ৯২ রানের সেই জুটিতে দল মুক্ত হয় বিপদ থেকে।
কিন্ত এরপরও আশঙ্কার জায়গা ছিল। ইঞ্জুরির কারণে লিটন দাস ফিরে গেলে আবারো শঙ্কা জাগে বিপর্যয়ের।
সেই আশঙ্কা দূর করতে এবার হৃদয়ের পাশে মোসাদ্দেক। এই সিরিজ আগেও যে ছিলেন দলের বাইরে, তিনিই এই সিরিজে তুলে নিলেন জোড়া অর্ধশতক।
প্রথম ম্যাচের পর এবারো মোসাদ্দেক ব্যাট করলেন ১০০ এর বেশি স্ট্রাইক রেটে। আর তাতেই জয়ের ভিত্তি পায় বাংলাদেশ।
এদিন সবচেয়ে কার্যকর ছিল হৃদয় মোসাদ্দেক জুটিই। আগের উইকেটে ৯২ রান আসে লিটন দাস ও তৌহিদ হৃদয় থেকে।
এরপর মোসাদ্দেক ও হৃদয় করে ৯৩ রানের জুটি। আগের জুটি আসে ১০৭ বল থেকে, তবে মোসাদ্দেককে নিয়ে হৃদয়ের জুটি মাত্র ৮৩ বলে।

মোসাদ্দেক নেমেই খেলেছেন হাত খুলে। অর্ধশতকের পথে ৫ বাউন্ডারি হাকিয়েছেন, ছিল এক ছক্কাও।
অপরদিকে ফ্রি ফ্লোইং দেখেই কিনা হৃদয়ও সচল হয়েছেন। কোন ছয় না হাকালেও তার ইনিংস ছিল আট চারের।
তবে আক্ষেপ হয়ে থাকবে তার শতক না পাওয়া। বেনের বলে ক্যারির হাতে ক্যাচ দিয়ে হৃদয় ফিরেন ৮০ এর ঘরে। অপরদিকে হৃদয় ফিরলেও শেষ পর্যন্ত খেলে যান সৈকত।
তার ১০০ এর অধিক স্ট্রাইক রেটে ৬১ রানে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশ পায় ২৭৪ রানের বড় পুজি।
যে কারণে অজিদের বাংলা ওয়াশ করার সাহস এখনও থাকছে টাইগারদের।।আগের ম্যাচগুলোতে টপ অর্ডার থেকে এসেছে রান।
এবার জ্বলে উঠলো লোয়ার ও মিডল লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা। ব্যাট হাতে যে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে, সেটারই প্রমাণ মিললো আরো একবার। আর সেখানে প্রাপ্তির খাতায় থাকবে হৃদয়, মোসাদ্দেকদের ইনিংস।




