ঘরের মাঠে অষ্ট্রেলিয়া হয়েছে বধ। শক্তিশালী দল নিয়ে এসেও কাজের কাজটা করতে পারেনি ইংলিশের দল।
তবে টি২০তে বদলে যাচ্ছে অজিদের অধিনায়ক। একইসাথে দলে আসছেন মার্শ, ডেভিড, হার্ডি এর মত তারকারা।
ঘরোয়া লীগে পারফর্ম করে আছেন নিখিল, ফিলিপরাও। তাদের বিপক্ষে তাই সেরা একাদশ নিয়েই মাঠে নামতে চাইবে টিম বাংলাদেশ
অডিয়াই এর পর টি২০ তেও ওপেনার হিসেবে থাকবেন তানজিদ হাসান তামিম। অডিয়াইতে ব্যার্থ হলেও টি২০ দলে সাইফ হাসানকে আবারো সুযোগ দিবে বাংলাদেশ দল। অজিদের বিপক্ষে পুরোনো সাইফকেই চাইবে বাংলাদেশ।
এই দুইয়ের মাঝে একজন বা দুইজন জ্বলে উঠতে পারলে বড় রানের দিকে যাবে টিম টাইগার্স।
অধিনায়ক লিটন দাস আসবেন নাম্বার তিনে। স্পিন ব্যাশার হিসেবে খ্যাতি আছে পারভেজ ইমনের।
ঘরোয়া আসরেও খেলছেন দুর্দান্ত সব ইনিংস। সেই ইমন আসবেন নাম্বার চারে। মিডল অর্ডারে তার সাথে ইনিংস ধরার দায়িত্ব থাকবে তৌহিদ হৃদয়ের। অডিয়াইতে বেশ ফর্মে আছেন হৃদয়।।টি২০তেও ধরে রাখতে চাইবেন সেই ফর্ম।
আর সেখানেই দলের মিডল অর্ডারে হবেন ভরসা।
নাম্বার ছয়ে ফিনিশার হিসেবে আসবেন শামীম হোসেন পাটোয়ারি। ব্যাট হাতে ঝড়ো রান তুলতে পারেন, আবার খেলতে পারেন বাহারি সব শট। তাই টি২০ ক্রিকেটে বাংলাদেশ ভরসার নাম হতে পারেন শামীম।
অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী হাসান আসবেন নাম্বার সাতে। বলের পাশাপাশি এবার ব্যাট হাতেও কিছুটা মেলে ধরতে চাইবেন তিনি।
মাহেদীর পর নাম্বার আটে আসবেন রিশাদ হোসেন। যদিও প্রতিপক্ষ দলে ডানহাতি ব্যাটসম্যানের আধিক্যে নাসুমকেও দেওয়া হতে পারে সুযোগ।
পেস আক্রমনে ফিজ থাকছেন নেতৃত্ব। তার সাথে থাকছেন গতির ঝড় তোলা নাহিদ রানা।
অপরদিকে শুরুর বলের জন্য পারফর্মার শরীফুল আসতে পারেন শুরুর একাদশে। সেক্ষেত্রে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে তাসকিন আহমেদকে।
আবার ব্যাটিং ডেপথের জন্য সাকলাইনও পেতে পারেন সুযোগ। তবে সুযোগের দৌড়ে শরীফুলই আছেন এগিয়ে।
সব মিলিয়ে ১৭ জুন টি২০ লড়াইয়ে মাঠে নামবে দুই দল। এবার দেখা যাক, সেখানে শেষ হাসি হাসে কোন দল।




