ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘সি’-তে দাপুটে এক জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল। মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে বড় ব্যাবধানে হারিয়ে গ্রুপসেরার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় ব্রাজিলকে।
সপ্তম মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর পুরো প্রথমার্ধে খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রাখে সেলেসাওরা। স্কটল্যান্ড কিছু সময় বলের দখল ধরে রাখলেও ব্রাজিলের সংগঠিত আক্রমণের সামনে কার্যকর কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভিনিসিয়াস।
ডান প্রান্ত দিয়ে উঠে আসা গ্যাব্রিয়েলের নিখুঁত ক্রস বক্সের ভেতরে পেয়ে দুর্দান্ত হেডে বল জালে জড়ান ব্রাজিলিয়ান তারকা। গোলটি ব্রাজিলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং বিরতির আগে স্কটল্যান্ডকে আরও চাপে ফেলে।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার কমায়নি ব্রাজিল। ম্যাচের ৬০তম মিনিটে দলের তৃতীয় গোলটি করেন মাতেউস কুনিয়া।
মাঝমাঠ থেকে ব্রুনো গিমারায়েসের চমৎকার পাস পেয়ে ডান দিক দিয়ে এগিয়ে যান কুনিয়া। এরপর ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জায়গা তৈরি করে নিখুঁত শটে বল পাঠিয়ে দেন জালের ডান কোণে। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল তার তৃতীয় গোল।
৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখে ব্রাজিল। অন্যদিকে ব্যবধান কমানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা চালালেও ব্রাজিলের শক্তিশালী রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হয় স্কটল্যান্ড।
ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে মাঠে নামেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। দীর্ঘ সময় পর বিশ্বকাপের মঞ্চে তার উপস্থিতি দর্শকদের উচ্ছ্বাস বাড়িয়ে দেয়। তার প্রত্যাবর্তন ছিল ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণ।
শেষ পর্যন্ত বড় ব্যাবধানে ব্যবধানের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। এই জয়ের ফলে গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে ফেলেছে সেলেসাওরা। অন্যদিকে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে গেল স্কটল্যান্ডের জন্য।




