বিশ্ব ক্রিকেটের ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে বড়সড় পরিবর্তন। ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে সাত নম্বরে উঠে এসেছে আফগানিস্তান।
অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা ছয়ে জায়গা করে নেওয়ায় দুই ধাপ পিছিয়ে আটে নেমেছে ইংলিশরা। ত্রিদেশীয় সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেয়েছে আফগানিস্তান। তবে একই প্রতিযোগিতায় হতাশাজনক ফলের কারণে রেটিং পয়েন্ট হারালেও নবম অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
আফগানিস্তানের এই উত্থানের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে দাপুটে জয়।
শারজাহর শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে আফগান বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি জিম্বাবুয়ে। রশিদ খানের তিন উইকেটের পাশাপাশি ফজলহক ফারুকী, মোহাম্মদ নবি ও বিলাল সামির নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ১৬৯ রানে গুটিয়ে যায় দলটি।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি আফগানিস্তানকে। ৩৫ ওভারের মধ্যেই সাত উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা।
এই জয়ের সুবাদে শিরোপা জয়ের আনন্দের সঙ্গে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়েও বড় প্রাপ্তি যোগ হয়েছে আফগানদের।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের সময়টা কাটছে ঠিক উল্টো পথে। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজে টানা দুই হারে র্যাঙ্কিংয়ে তার প্রভাব পড়েছে। রাওয়ালপিন্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪২৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়েও জয় পায়নি হ্যারি ব্রুকের দল। এমন হতাশাজনক ফলের কারণে রেটিংয়ে পিছিয়ে পড়ে তারা।
আইসিসির হালনাগাদ ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে শ্রীলঙ্কা উঠে এসেছে ছয়ে। আফগানিস্তান রয়েছে সাত নম্বরে, আর ইংল্যান্ড নেমে গেছে আটে।
দলগুলোর মধ্যে রেটিং পয়েন্টের ব্যবধানও খুব বেশি নয়, ফলে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ফলাফল অনুযায়ী অবস্থানের আরও পরিবর্তন হতে পারে।
তবে র্যাঙ্কিংয়ের এই পালাবদলে বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর নেই।
ত্রিদেশীয় সিরিজে দুই ম্যাচের দুটিতেই হেরে দুই রেটিং পয়েন্ট খুইয়েছে বাংলাদেশ। যদিও ৮১ পয়েন্ট নিয়ে নবম অবস্থান ধরে রেখেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
অন্যদিকে ফাইনালে হেরে যাওয়া জিম্বাবুয়ে দুই পয়েন্ট বাড়িয়ে ৬৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে এগারো নম্বরে।
আফগানিস্তানের উত্থান যেমন ওয়ানডে ক্রিকেটে নতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে, তেমনি বাংলাদেশের সামনে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করার চ্যালেঞ্জও বাড়িয়ে দিচ্ছে।




