Homeক্রিকেটচার বছর আগের ভবিষ্যৎবাণী পরিবর্তন করলেন, সাকিব নাঈমরা

চার বছর আগের ভবিষ্যৎবাণী পরিবর্তন করলেন, সাকিব নাঈমরা

- Advertisement -spot_img

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার ২০১৮ সালের চট্টগ্রাম টেস্টের পর বলা হয়েছিলো
পাঁচ দিনের খেলা শেষ। মাত্র আড়াই ইনিংসের পর ম্যাচ ড্রতে শেষ হওয়ার পর দীনেশ চান্ডিমাল বলেছিলেন, ‘এই উইকেটে আমরা এখন আরেকটি শুরু করলেও ম্যাচ ড্র হবে।’কথাটা বলেছিলেন তখনকার শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক।

চার বছর পর আজ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আবার যখন দুই দল মুখোমুখি হলো, তখনো চট্টগ্রামের উইকেট ব্যাটিং-দাপটেরই আভাস দিচ্ছিল।

পেসাররা উইকেট থেকে তেমন সাহায্য পায়নি। স্পিনারদের বলও বাঁক খায়নি। যখন উইকেটের সাহায্য থাকে না, তখন ব্যাটসম্যানকে আউট করতে হলে গতির বৈচিত্র্যই অন্যতম অস্ত্র হতে পারে। বৈচিত্র্যের মধ্যে গতি কমিয়ে বোলিং করাটা ছিল চোখে পড়ার মতো। চট্টগ্রামের ব্যাটিং সঙ্গে আজ টসে হেরে শুরুতে বোলিং করতে নেমে বাংলাদেশ দলের বোলাররা সেটিই করার চেষ্টা করছেন।

সাকিব আল হাসান এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সফল। ইনিংসের ৩৫তম ওভারে বোলিং করতে এসে টানা ১০ ওভার বল করেছেন পাঁচ মাস পর টেস্ট খেলতে নামা সাকিব। রান দিয়েছেন মাত্র ৯, মেডেন ওভার ৫টি। বাঁহাতি স্পিনারের হাত থেকে বলগুলো বের হচ্ছিল রাজ্যের ফ্লাইট নিয়ে। ঝুলিয়ে দেওয়া বলগুলোর লাইন-লেংথও ছিল অবিশ্বাস্য। যে কারণে উইকেটে থিতু হওয়া দুই লঙ্কান ব্যাটসম্যান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ও কুশল মেন্ডিস সহজে রান বের করতে পারেননি।

সাকিবের বাঁহাতি স্পিনে লঙ্কান রানরেটেও শৃঙ্খল পরিয়েছে বাংলাদেশ। লাঞ্চবিরতির সময় শ্রীলঙ্কার রানরেট ছিল ৩.০৪, চা পানের বিরতির সময় সেটি কমে আসে ২.৮২।

এ ক্ষেত্রে সাকিবকে সঙ্গ দিয়েছেন আরেক বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। গতির হেরফের করে তিনিও হয়েছেন সফল। ঘণ্টায় ৮৭ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করেছেন তিনি। যদিও গতির ওঠানামায় সাকিবের চেয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ ছিল তাইজুলই। দ্বিতীয় সেশনে সাকিবের সঙ্গে বোলিং জুটিতে ১০ ওভার করেছেন তিনি। নিজের স্পেলে মাত্র ১১ রান দিয়েছেন, মেডেন ওভার ছিল ৪টি।
দুজনের আঁটসাঁট বোলিংয়ের ফলটা পেয়েও পায়নি বাংলাদেশ। ৪৪.৩ ওভারে তাইজুলের বাঁহাতি স্পিন ম্যাথুসের ব্যাটের পাশ ঘেঁষে যায় উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। আম্পায়ারও বাংলাদেশ দলের কট বিহাইন্ডের আবেদনে সাড়া দেয়। কিন্তু ম্যাথুস রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান। কিন্তু চা পানের বিরতির পরেই কপাল খোলে তাইজুলের। এবার ৫৪ রান করা কুশল মেন্ডিস মনোযোগ হারিয়ে মামুলি বলে মিড উইকেটে ক্যাচ আউট হন।

এর আগে শ্রীলঙ্কায় প্রথম দুই উইকেট নেওয়া তরুণ স্পিনার নাঈম ইসলামও নিজের বোলিংয়ে যথেষ্ট ফ্লাইট দিয়েছেন। দীর্ঘদেহী এই স্পিনার স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি বাউন্স পেয়ে থাকেন। আজ হয়েছেন তা–ই। শ্রীলঙ্কার দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান দিমুথ করুনারত্নে ও ওসাদা ফার্নান্ডো আউট হয়েছেন সেই ফ্লাইটে পরাস্ত হয়েই।

নাঈমের জন্যও ধীরগতির বোলিংই চট্টগ্রামের উইকেটে সাফল্যের মন্ত্র।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here