পূর্নন্দী পএীর তার কবিতায় বলেছিলে দুর্ধর্ষ তম বীরত্বের গালে একদিন মৃত্যুর থাপ্পড় পড়ে।
পূর্ণেন্দু পএীর কবিতার এই লাইন তো আন্জেল ডি-মারিয়ার শুনার কথা নয়, তবে ইংলিশ কবি জন-কিটসের সেই বিখ্যাত লেখা টা নিষ্চয় পড়েছেন আন্জেল
যৌবন যে একদিন বির্বন হয়।
জন কিটসের সেই বিখ্যাত লেখা না পড়লেও তাতে বা কি আসে যায়।
এটাই যে অমোঘ সত্যি। আর এই নির্মম সত্যি টা কে মেনে নিয়েছেন ডি-মারিয়া।
তাই তো ৪২ মিলিয়ন আর্জেন্টিনা ভক্তদের কাঁদিয়ে বিদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মারিয়া।
এই শেষ বারের মতন আকাশী-নীল জার্সি তে জার্সিতে দেখা যাবে মারিয়া কে।
এরপর থেকে আর কখনো দেখা যাবেনা কেউ মেসির পাশে দাড়িয়ে, মেসির পরাজয়ের কষ্ট টাকে ভাগ করে নিচ্ছেন, আর কখনোই দেখা যাবে না, কোন এক আলতো ছূয়াতে একজন লেখছেন আর্জেন্টিনার ইতিহাস।
১৫ তারিখের ফাইনালের পর যে সবকিছুর যে ইতি।
সব টাই হয়ে যাবে ইতিহাস।
তবে কোপাআমেরিকা ফাইনালের বিদায়ের লগ্ন টা কে কি রাঙিয়ে দিতে পারবেন ডি-মারিয়া।
জাতীয় দলে নিজের খেলা শেষ ফাইনালেও কি গোল করে লেখে রাখবেন ইতিহাস।

এখন অব্দি যে , সিনিয়র দলের হয়ে, আর্জেন্টিনার জার্সিতে ৫ টি ফাইনালে খেলে চারটাতে গোল করছেন আন্জেল ডি-মারিয়া, শেষ ৪ ফাইনালে ছিলেন আর্জেন্টিনার মজয়ের নায়ক। ছিলেন আর্জেন্টিনার ত্রাণকর্তা, লিওনেল মেসির ফুটবল অমরত্ব পাবার সারথি আন্জেল ডি-মারিয়া।
মি:ফাইনাল, যার শুরু টা করেছিলেন, ২০২৮ সালের বেইজিং অলেম্পিকে, সেইবার ফাইনালে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে চিপ থেকে করা মারিয়ার একমাত্র গোলে, নিষ্চিত হয় আর্জেন্টিনার অলেম্পিকের স্বর্ণ পদক ।
কিন্তুু এরপর থেকে শুরু হয় শনির দশা, পরপর তিন ফাইনালে ইনজুরি কারণে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠে নামতে পারেননি।।
তাতে ডি-মারিয়ার হীন আর্জেন্টিনার আক্ষেপ টাও বেড়েছিলো বেশি, তিন ফাইনালে হতাশার গ্লানি ছূয়ে গিয়েছিলো আকাশী-নীল শিবিরে।।
তবে সেই আক্ষেপের গল্প টা বদলিয়েছিলো মারাকানায়। কারণ সে ম্যাচে যে পুরো ৯০ মিনিট জুড়ে খেলেছিলেন ভরসার ফেরিওয়ালা আন্জেল ডি-মারিয়া।

ডি-মারিয়া করা গোলে ২৮ বছর পর কোন মেজর টুর্নামেন্টে এর ফাইনাল জিতে আর্জেন্টিনা।।
এরপর ফাইনালিসিমা কিংবা কাতরে, লিওনেল মেসির ফুটবলের অমরত্ব পাবার রাতেও, স্কোর শীটে নাম তুলেছিলেন একজন বিশ্বাসী যোদ্ধা আন্জেল।।
কোপা-আমেরিকায় উড়তে থাকা, কলোম্বিয়ার বিপক্ষে ফাইনালে তার দিকেই তাকিয়ে থাকবে আর্জিন্টিনা ভক্তরা।।
তার পায়ের জাদুকরি ছূয়াতে, উড়ে যেতে পারে কলোম্বিয়ার ২৮ ম্যাচের অপরাজিত যাত্রা।
শেষ বেলাতে তো নিজের সবটা উজার দিতেও তো প্রস্তুুত থাকবেন মারিয়া।
প্রস্তুুত কোটি কোটি আর্জেন্টিনা ভক্তরা।
পারবেন তো মারিয়া?




