আগামী ২২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট সিরিজ। যা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত। তবে বাংলাদেশের জন্য পয়েন্ট অর্জন ছাড়া এই সিরিজ থেকে তেমন কিছু পাওয়ার নাই। ভারত ও প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সিরিজ হারের কারণে ফাইনালের রেস থেকে ছিটকে গিয়েছে টাইগাররা। এই সিরিজকে সামনে রেখে ঘোষিত স্কোয়াডে চমক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন উইকেট কিপার শাহাদত হোসেন দিপু। মূলত পায়ের ইনজুরিতে ভোগা শান্তর বদলি হিসেবে দিপুর অন্তর্ভুক্তি। এর আগেও দিপু বাংলাদেশের জার্সিতে টেস্ট খেলেছেন। কিন্তু, নিজেকে প্রমাণ করতে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন। ৪ টেস্টে মাত্র ১৪.৮ গড়ে ১১৮ রান করেছেন দিপু। তাই এই সুযোগকে অবশ্যই কাজে লাগাতে চাইবেন দিপু। দিপুর এই সুযোগের মাধ্যমে আবার প্রমাণিত বাংলাদেশের পাইপলাইন কতটা দুর্বল। একজন ওপেনারের বদলি হিসেবে একজন উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান। এটা হাস্যকর হলেও এটাই বাস্তবতা। বাংলাদেশের পাইপলাইনে পারফর্মার কাউকে সুযোগ দিবে এরকম নেই। ক্রিকেট পাগল দেশে এরকম দশা খুবই দুঃখজনক। জাতীয় দল থেকে ২-৩ জন খেলোয়ার যেকোন কারণে টিম থেকে বের হলেই বাংলাদেশ টিম ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। পর্যাপ্ত রিপলেসমেন্ট না থাকাটা হতাশাজনক। আশা করি খুবই দ্রুতই দেশে নতুন ক্রিকেট মেধা বের হয়ে আসবে। উইন্ডিজদের সঙ্গে এক পূর্ণাঙ্গ সিরিজ আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ক্যারিবিও দ্বীপপুঞ্জ পাড়ি দিবে টাইগাররা। সিরিজে থাকছে ২ টেস্ট, ৩ ওয়ানডে ও ৩ টি-টোয়েন্টি। আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে এটাই বাংলাদেশের সম্ভাব্য শেষ সিরিজ।




