দলের নাম্বার নাইন, গোল করাই যেন তার কাজ। সেই গোল করাই ভুলে গিয়েছিলেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। একের পর এক ম্যাচে গিয়েছে গোলক্ষরা। একাদশে থাকুক বা বদলি নামুক, নিজের ভাগ্য বদল করতে পারেননি জেসুস। শেষ পর্যন্ত আর্সেনালের সাথে রিউমার চলে অন্য নাম্বার নাইন দলে আনার। জেসুসের ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জন জোড়ালো হয়৷ তবে সবকিছুর জবাব দিলেন জেসুস। আর্সেনাল তারকা ৩ দিনের ব্যাবধানে ২ ম্যাচে করলেন ৫ গোল।
আগের ম্যাচে একাদশে নেমে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করে দলকে নিয়ে গেছেন এএফএলের কাপের সেমিফাইনালে। পরের ম্যাচে প্রিমিয়ার লীগের শুরুর একাদশে তাই গ্যাব্রিয়েল জেসুস। সেখানে নেমে ম্যাচের ৬ মিনিটেই গোল জেসুসের। নিজ দেশের আরেক গ্যাব্রিয়েল ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মেঘালাসের এসিস্টে করেন গোল। সাকার বাড়ানো কর্নারে ডিবক্সের ভিতর তাকে বল বাড়ান গ্যাব্রিয়েল। সেই বল পেয়েই স্কোরশিটে নাম তুলেন জেসুস।
১১ মিনিটে প্যালেস সমতায় ফেরে, তবে দলকে আবারো লিড এনে দিতে সময় নেননি জেসুস৷ এবার তাকে এসিস্ট করেন থমাস পার্টি। আবারো কর্নার, এবার কর্নার থেকে কাটব্যাক মিডফিল্ডার পার্টির। আর সেই কাটব্যাক থেকে জেসুসের ধারালো শট। ম্যাচে লিড আর্সেনালের।
পরবর্তীতে মার্টিনেল্লি, হ্যাভার্টজ, রাইসের গোলে বড় জয় পায় আর্সেনাল। তবে ভিত্তি গড়ে তুলেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। আর সেখান থেকেই জয় পায় আর্সেনাল। এই সিজনে ৬ গোল জেসুসের। গত সিজনে ১৬ গোল এসিস্ট করেছেন, ৮ টি করেছেন গোল। এই সিজনে একটু বাড়তি প্রত্যাশা ছিল। তবে সিজনের শুরুটা ছিল সাদামাটা। সেখান থেকে কি দুর্দান্ত কামব্যাকই না করলেন জেসুস।
জেসুসের এই কামব্যাকই দেখতে চেয়েছে সেলেসাও ভক্তরা। নাম্বার নাইনে ব্রাজিল দলে পরীক্ষিত মুখ জেসুস।ব্রাজিলের হয়ে তার ২০ গোল তারই প্রমাণ করে। ফলে জেসুসকে দলে দেখার সবসময় প্রত্যাশা করে ভক্তরা। তবে ইঞ্জুরি ও তার ফর্ম তাকে দল থেকে দূরে থাকে।
জেসুসের এই ফর্ম ভক্তদের আবার নতুন করে আশা দেখাচ্ছে। আগামী দিনে এই জেসুস ধারাবাহিক হোক, এমন চাওয়া সেলেসাও ভক্তদের। আর তাতে আবারো টানা জয় নিয়ে শিরোপার দৌড়ে এগিয়ে যেতে পারবে আর্সেনাল। আর জাতীয় দলেও ফেরার রাস্তা সহজ হবে আর্সেনাল নাম্বার নাইনের।




