২০০৯ সালে শুরু সাও পাওলোর হয়ে। সেখানে খেলেছেন মোট ১৩ ম্যাচ। পরের বছর গিয়েছেন ব্রাজিলের ক্লাবে ইন্টারন্যাচনালে। এরপর নানা ক্লাব খেলেছেন। নানা মহাদেশেও খেলেছেন। শেষ পর্যন্ত আবার অস্কার এলেন নিজের আপন ঠিকানায় । বাবুই পাখির মত ফিরেছেন নিজের ঘরে।
অস্কারে ফিরেছেন, তবে ছাড়া আর ফেরার মাঝে ছিল অনেক ঘটনা । ক্লাব ছেড়েছেন সম্ভাবনাময়ী একজন হয়ে, মাঝে হয়েছিলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার। তবে ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট আসে ২০১৬ সালে, যখন তাকে দলে নিতে ৬১ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে চীনের ক্লাব সাংঘাই পোর্ট, একজন মিডফিল্ডারের হয়ে তা ছিল অভাবনীয় মুল্য। এর আগে চেলসির হয়ে সাড়ে চার মৌসুম খেলেন অস্কার। সেখানেই নিজের সেরা সময় কাটান অস্কার এরপর পাড়ি জমান চীনে। ক্যারিয়ারের বড় অংশ এশিয়ায় কাটিয়ে দেন অস্কার।
ধারণা করা হচ্ছিল সেখানেই শেষ হবে অস্কারের ক্যারিয়ার। মাঝে শোনা গিয়েছিল চীনের হয়েও খেলতে চান অস্কার। এর মাঝে সাংঘাই পোর্টের হয়ে খেলেছেন ৮ বছর। চীনের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ই ছিলেন অস্কার, গোল এসিস্ট পেতেন বেশ ভালোই। এইত গত মৌসুমেই করেছেন ৪০ ম্যাচে ৪৩ গোল এসিস্ট। তবে গোল এসিস্ট আর বিপুল অর্থের মায়া অবশেষে ত্যাগ করেছেন অস্কার। ফিরে আসলেন নিজ দেশে।
এর আগে চীনের ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দেন অস্কার। চীন ছাড়ার পর অস্কার কই যাবেন তা নিয়ে ছিল ধোয়াশা। এশিয়াই থাকবেন অস্কার, নাকি যাবেন ইউরোপে তা নিয়ে ছিল প্রশ্ন। এছাড়া মায়ামি বা এমএলএসের ক্লাবও ছিল অপশন। তবে এদের ভীরে অস্কারের ব্রাজিলে আসার সম্ভাবনাই বেশি উকি দিচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সেটাই সত্য হলো। আগামী মৌসুমে ব্রাজিলেই যাচ্ছেন অস্কার। ইতিমধ্যে ব্রাজিলের ক্লাব সাও পাওলোর সাথে চুক্তি হয়েছে অস্কারের। ৩৩ বছর বয়সী অস্কার সাও পাওলোর সাথে করেছেন ৩ বছরের চুক্তি। এর মাঝে অস্কারের উইকিপিডিয়ায় সাও পাওলো হিসেবে এসেছে তার ক্লাব। এছাড়া কিছুদিনের মধ্যে দলটির হয়ে অনুশীলন শুরু করবেন অস্কার।
যে কারণেই অস্কারকে নিয়ে বেড়েছে প্রত্যাশা। এতদিন গোল এসিস্ট করলেও চাইনিজ লীগের কারণে তা নজর কাড়েনি। এবার ব্রাজিল লীগে এসে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে অস্কারকে। বলা বাহুল্য, ব্রাজিল লীগে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলে আবারো জাতীয় দলের দরজা খুলেও যেতে পারে অস্কারের জন্য। এবার দেখা যাক, সেখানে কেমন করেন অস্কার।




