বিশ্বের সেরা ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। ১৪ বার জয় করেছে চ্যাম্পিয়নস লীগ। রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থকরা আছেন সারা বিশ্বে। যে কারণে তাদের খেলার দিকে থাকে দর্শকদের নজর। শুধু রিয়াল মাদ্রিদ নয়, আরেক লা লীগার ক্লাব বার্সেলোনাকে ঘিরে দর্শকদের থাকে উন্মাদনা। এছাড়া আছে এথলেটিকো মাদ্রিদ, সেভিয়ার মত জায়ান্ট ক্লাব। তবে এইসবের ক্লাবের ভীরে থাকা লা লীগাকে দর্শক সমাগমে পিছনে ফেলেছে মেসির এমএলএস।
এটা অস্বীকার করার উপায় নেই, লিওনেল মেসি আসার পর এমএলএসে নজর বেড়েছে সবার। সেখানে আমেরিকান দর্শকরা মেসির খেলা দেখতে নিয়মিত ভীর করেন স্টেডিয়ামে। এছাড়া মেসি আসার পর এমএলএস নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ বেড়েছে, অন্য ম্যাচের দিকেও তাই থাকে নজর। যে কারণে দর্শক সমাগমে এমএলএস আছে বিশ্বের সবার মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে। গত বছর সব মিলিয়ে ১২.১ মিলিয়ন বা ১ কোটি ২১ লাখ দর্শক মাঠে বসে দেখেছেন এমএলএসের ম্যাচ।
এই তালিকায় এমএলএসেএ উপরে আছে শুধু ইংলিশ প্রিমিয়ারে লীগ। ইপিএলে জায়ান্ট ক্লাব খ্যাত আছে ৬ ক্লাব, এর বাইরে নতুন করে এস্টন ভিলা, নিউক্যাসেল, ব্রাইটনের মত ক্লাব আছে ফর্মে। এদের খেলা দেখতে সারাবিশ্ব থেকে উপস্থিত হন সবাই। সব মিলিয়ে ২০২৪ সালে ১৪.৬ মিলিয়ন বা ১ কোটি ৪৬ লাখ মানুষ মাঠে দেখেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ ফুটবল।
এই তালিকার তিনে আছে বুন্দেসলীগা। বলা হয় জার্মান মানুষের ফুটবল উন্মাদনা অন্য পর্যায়ে। বিশেষ করে ডর্টমুন্ডের সিগনাল ইদুনা পার্ক বা বায়ার্নের আলিয়াঞ্জ এরেনা সবসময়ই থাকে দর্শকে পরিপুর্ণ। সব মিলিয়ে ২০২৪ সালে জার্মান লীগ বুন্দেসলীগায় ১২ মিলিয়ন বা ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ মাঠে বসে খেলা উপভোগ করেছে।
এই তালিকার চার ও পাচে আছে সিরিআ ও লা লীগা। ইতালিয়ান সিরিতে বড় দলগুলোর মধ্যে লড়াই থাকে তীব্র। দুই মিলান ছাড়াও রোমা, জুভেন্তাস, ফিওরিন্টিনার মত ক্লাব এই লীগের দর্শক আকর্ষণ করে। ২০২৪ সালে সিরিআ তে ১১.৬ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১৬ লাখ মানুষ খেলা দেখেছে দর্শকসারিতে। আর ভিনি, আলভারেজ, এমবাপ্পে, ইয়ামালদের লা লীগায় দর্শক সমাগম হয়েছে পুরো বছরে ১০.৭ মিলিয়ন বা ১ কোটি ৭ লাখ। সব মিলিয়ে এই তালিকা যেন প্রমাণ করে কতটা প্রভাব মেসি বিস্তার করতে পারেন।




