বয়স মাত্র ১৮, এর মাঝে ব্রাজিলের ক্লাব পালমেরাসের সিনিয়ার দলে খেলে ফেলেছেন ৫০ ম্যাচ।৷ সেখানে এবার করলেন ২৭ গোল এসিস্ট। এত অল্প বয়সে এত নজরকাড়া পারফর্মেঞ্চ শেষ কবে কোন ব্রাজিলিয়ানের কাছ থেকে দেখেছে সবাই, সেটাই এখন ভাবনার বাইরে। এমনকি গোল এসিস্টের রেকর্ডে ব্রাজিলের সুপারস্টার নেইমারকে পিছনে ফেলেছেন এস্তেভিও।
গত মৌসুমের শেষটা করেছেন গোল দিয়ে। এবার পাউলিস্তায় এসে নিজের গোলের ধারা বজায় রেখেছেন এস্তেভিও। এদিন গুইরানির বিপক্ষে জোড়া গোল করেন এস্তেভিও। সেখানে ম্যাচের ৫৮ মিনিটে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় লং বল করতে চাইলে ইন্টারসেপ্ট করেন পালমেরাসের খেলোয়াড়। সেখান থেকে বল পান এস্তেভিও। এরপর দারুণ এক সলো গোল করেন সেখান থেকে। দারুণভাবে একাধিক খেলোয়াড়কে পরাস্ত করে ডিবক্সের বাইরে থেকে করেন গোল।
ম্যাচের ৮৬ মিনিটে নিজেদের দ্বিতীয় গোল পান এস্তেভিও। এবার বাম দিক থেকে বাড়ানো ক্রসে হেড দিয়ে গোল করেন এস্তেভিও। আর তাতেই ৪-১ গোলে জয় পায় পালমেরাস। গত মৌসুমের শিরোপা না পেলেও এবার পাউলিস্তায় দারুণ ফর্মে আছে ক্লাবটি।
পাউলিস্তায় এই মৌসুমে ৪ ম্যাচে ১৯ শট নিয়েছেন এস্তেভিও, ৮৫ ভাগ দিয়েছেন সফল পাস। এছাড়া ৮ বার লং বল দিয়েছেন, ১০ বার চাঞ্চ ক্রিয়েটের সাথে ১৪ বার করেন সফল ড্রিবলিং। এছাড়া চার ম্যাচেই ৩৪ বার জয় করেন ডুয়েলস৷ অর্থ্যাৎ গোল ছাড়াও পারফর্মেঞ্চে সেরাদের কাতারেই ছিলেন এস্তেভিও। গোল করে যেন সেটাকে করলেন আরো ক্ষুরধার।
পাউলিস্তার যাত্রা শেষে হয়ত চেলসি দলে যোগ দিবেন এস্তেভিও উইলিয়ান। এই ব্রাজিলিয়ান তারকা চেলসিতে এসেই খেলবেন মুল দলে। সেখানে যুব দলে বা লোনে দেওয়া হবেনা তাকে৷ তবে এই প্রতিশ্রুতি না দিলেও মুল দলেই খেলতেন এস্তেভিও। অন্তত যে ধরণের পারফর্মেঞ্চ এস্তেভিও করছেন, তাতে তাকে বসিয়ে রাখার উপায় কি
অন্য অনেক ব্রাজিল উইঙ্গারদের মত গতি, ড্রিবলিংএ দারুণ। তবে এস্তেভিও অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকবেন তার দুরপাল্লার শট ও হেডিং এর জন্য। বিশেষ করে নিজের উচ্চতা কাজে লাগিয়ে হেডে গোল করতে পারেন, গত মৌসুমের পর এই মৌসুমেও হেডে আদায় করেছেন গোল। এর বাইরে গত মৌসুমে ৩ বার গোল করেছেন বক্সের বাইরে থেকে৷ এস্তেভিওকে তাই আলাদা মুল্যয়ন করছে সবাই। জাতীয় দলে আসলেও এস্তেভিও ধরে রাখুক নিজেকে, ধরুক রথী মহারথীদের পথ এমনটাই চাওয়া সবার।




