বয়স মাত্র ২০ বছর। সর্বশেষ যুব কোপা আমেরিকা খেলেছেন ব্রাজিল দলের হয়ে। সে আসরে চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য তিনি, ছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা একাদশে। ব্রাজিলের ক্লাব করিন্থিয়াস মুল দলের সদস্য ব্রেনো বাইডনকে নিতে তাই লড়াই ইউরোপিয়ান ক্লাবের মাঝে। সেই তালিকায় আছে ৩ ইউরোপিয়ান জায়ান্ট ক্লাব।
গত বছর প্রথম বাইডনকে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। আইমিয়াসান নামক বায়ার্ন ভিত্তিক এক পেজ থেকে গত বছর বায়ার্নের আগ্রহের কথা প্রকাশ করা হয়। এরপর এই তারকার জন্য ১৪ মিলিয়ন ইউরো রিলিজ ক্লজ সেট করে দেয় তার ক্লাব করিন্থিয়াস। সেখানে সর্বপ্রথম আলোচনায় আসেন বাইডন।
গবে বাইডন আবার আলোচনায় এসেছেন যুব কোপা আমেরিকার পর। সেখানে তার পারফর্মেঞ্চ নজরে এসেছে সবার। যে কারণে এবার তাকে নেওয়ার জন্য দৌড় শুরু করেছে লন্ডনের দুই ক্লাব আর্সেনাল ও টটেনহ্যাম স্পার্স। ইপিএলের বিগ সিক্সে থাকা দুই ক্লাবই বাইডনকে নিতে আগ্রহী।
এদের মাঝে সবচেয়ে এগিয়ে আছে আর্সেনাল। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম বলাভিপের মতে ইপিএলের দুই ক্লাব আর্সেনাল ও স্পার্স বাইডনকে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর মাঝে বাইডনের জন্য অফিশিয়াল প্রস্তাব দিতেও যাচ্ছে আর্সেনাল এমনটা বলেন তারা। যে কারণে আর্সেনালের স্পোর্টিং ডায়রেক্টর জেসন আয়তো আগামী গ্রীষ্মকালীন দলবদলে আলোচনা করতে পারেন করিন্থিয়াসের সাথে। সেখানে ১৫ মিলিয়নের সাথে দর কষাকষি করতে পারে ক্লাবটি।
এদিকে আর্সেনালের সাথে এই দৌড়ে আছে আরেক ক্লাব টটেনহ্যাম। স্পার্স কোচ পস্তেগুলোর নজরে এসেছেন বাইডন। এই অষ্ট্রেলিয়ান কোচ বাইডনকে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেঁেন বলে জানায় বলাভিপ। তারাও নাকি আগামী গ্রীষ্মে প্রস্তাব দিতে যায় বাইডনকে।
বাইডনকে বলা হয় আগামী দিনের ক্যাসিমিরো। ২০ বছর বয়সী এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার এর মাঝে করিন্থিয়াসের হয়ে খেলে ফেলেছেন ৬৫ ম্যাচ। সেখানে তার ডিফেন্সিভ এবিলিটি যেমন নজর কেড়েছে, তেমন বল পায়ে তার সাবলীলতা নজর কেড়েছে সবার। বল পায়ে বেশ প্রগ্রেসিভ খেলতে পারেন বাইডন। এছাড়া নাম্বার আট বা নাম্বার দশ রোলের জন্য মানিয়েও নিতে পারেন এই মিডফিল্ডার। যে কারণে বড় ক্লাবের আগ্রহেও যেমন এসেছেন তিনি, তাকে নিয়ে বেড়েছে সবার প্রত্যাশা।
এবার দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কোথায় হয় বাইডনের গন্তব্য। সে গন্তব্য যেখানেই হোক, বাইডনকে নিয়ে বড় প্রত্যাশা করতেই পারে ব্রাজিল ভক্তরা। কেননা এই জায়গায় অনেকদিন ধরেই ঘাটতি ব্রাজিল দলের।




