উড়ান্ত বার্সেলোনা দুর্দান্ত এথলেটিকো মাদ্রিদ! দুই দলের এই মুহুর্তে লড়াইটা হবে সমানে সমান সেটিই আভাস দিচ্ছিলো ম্যাচের আগে।তবে শুরুতেই হলো ভিন্ন কিছু,ম্যাচের মাত্র ৪৬ সেকেন্ডেই বার্সেলোনার জালে বল জডিয়ে দেন আলভারেজ, দারুন এক ভলিতে সেজনিকে দেন ৪৬ সেকেন্ডেই গোল উপহার।
এরপর ২য় টি আসে আলভারেজের এসিস্ট আর গ্রিজমেনের গোল হয়ে।
মাত্র ৬ মিনিটেই বার্সেলোনা দুই গোল হজম করে বসেছিলো,ভাবা হচ্ছিলো হয়তো ঘরের মাঠে বড় কোনো অঘটন ঘটতেই যাচ্ছে বার্সার বিপক্ষে।
তবে না,
১৯ থেকে ২১, এই তিন মিনিটের মধ্যে দুবার আতলেতিকোর জালে বল পাঠিয়ে সমতায় ফেরে তারা।
বক্সে কুন্দের পাসে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে নিচু শটে প্রথম গোলটি করেন মিডফিল্ডার পেদ্রি। আর রাফিনিয়ার কর্নারে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন ১৮ বছর বয়সী স্প্যানিশ ডিফেন্ডার কুবার্সি।
৩২তম মিনিটে আরেকটি ভালো সুযোগ পান তরেস, এবার এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে কাটিয়েও ফেলেন তিনি; কিন্তু শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলায় ঠিকমতো শট নিতে পারেননি।
আতলেতিকোর দুর্বল রক্ষণের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৪১তম মিনিটে বার্সেলোনাকে এগিয়ে নেন মার্তিনেজ। রাফিনিয়ার কর্নারে বক্সে বিনা বাধায় ছুটে গিয়ে দূরের পোস্টে হেডে গোলটি করেন ৩৩ বছর বয়সী স্প্যানিশ ডিফেন্ডার।
সফরকারীরা অতি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ায় বেশিরভাগ সময় খেলা হতে থাকে তাদের অর্ধেই। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লামিনে ইয়ামাল ও দানি ওলমোর শট ঠেকিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মুসো।
৫২তম মিনিটে ভয়চেখ সেজনির দৃঢ়তায় বেঁচে যায় বার্সেলোনা। রদ্রিগো দে পলের পাস ধরে বক্সে ঢুকে গ্রিজমানের নেওয়া নিচু শট ফিরিয়ে দেন পোলিশ গোলরক্ষক।
৭২তম মিনিটে বার্সেলোনার জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল পায়নি আতলেতিকো।
৭৪তম মিনিটে স্কোরলাইন ৪-২ করেন মিনিট ছয়েক আগেই বদলি নামা লেভানদোভস্কি। যেখানে বড় অবদান ইয়ামালের।
তখন অবশ্য ভাবা হচ্ছিলো এথলেটিকোর বিপক্ষে বড় জয় নিয়েই মাঠে ছাড়ছে বার্সা!
তবে নাটক যে তখনো ভুমিকায় মাত্র,কেননা ৮৪ মিনিটে ব্যবধান কমান লরেন্টে। ৯৩ মিনিটে ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার কয়েক সেকেন্ড আগে বার্সাকে হতাশায় ডুবিয়ে সমতা ফেরান সোরলথ।ম্যাচের ফলাফল হয় ৪-৪! কারো কারো কাছেতো ২০২৫ সালের, কারো কাছে এই মৌসুমেরই সেরা ম্যাচ ছিলো এটি!যেখানে গোল স্কোরারদের বাহিরে আলাদাই নজড় কেড়েছিলেন একজন,তিনি ব্রাজিলিয়ান সাম্বা বয় রাফিনিয়া।এই ম্যাচেও জোড়া এসিস্ট আছে এই ব্রাজিলিয়ানের।




