সমালোচনা যেন এঞ্জো ফার্নান্দেজের পারফর্মেঞ্চের চালিকা শক্তি। যখনই তাকে নিয়ে উঠে সমালোচনা, তখনই পারফর্মেঞ্চ দিয়ে সবাইকে চুপ করিয়ে দেন এঞ্জো। এর আগে যখন তাকে বেঞ্চ করার কথা আসে মিডিয়ায়, তখনই তুলে নেন একের পর এক গোল এসিস্ট। এরপর দীর্ঘদিন গোল এসিস্ট পাননি, হয়েছে সমালোচনা। সেটারও জবাব দিয়ে যাচ্ছেন কয়েক ম্যাচ ধরে। শেষ ৪ ম্যাচে ৩ গোল এসিস্ট তারই প্রমাণ করে।
এর মাঝে সর্বশেষ ম্যাচে তার এসিস্টেই জয় পায় চেলসি। সেখানে লেইচেষ্টার সিটির বিপক্ষে চেলসি জয় পায় ১ গোলেই। ৬০ মিনিটে চেলসির হয়ে গোল আদায় করেন মার্কো কুকুরেলা। আর তাকে এসিস্ট করেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। এঞ্জোর পাস থেকে বল পেয়ে দুরপাল্লার শটে গোল করেন এই স্প্যানিশ ডিফেন্ডার।
এর আগের ম্যাচে কনফারেন্স লীগের ম্যাচে গোল করেছেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। সেখানে এফসি কোবেনহেভানের বিপক্ষে ২-১ ব্যাবধানে জয় পায় চেলসি। আর সেই জয়ের দিনই গোল আদায় করেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। তার এক ম্যাচে আগে এঞ্জো গোল আদায় করেন এস্টন ভিলার বিপক্ষে। শুরুতে তার গোলেই এগিয়ে যায় চেলসি। যদিও পরে এসেন্সিও ঝলকে ম্যাচ জিতে ভিলা।
শুধু গোল এসিস্ট নয়, মাঠেও দারুণ পারফর্মেঞ্চ করছেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। এই মৌসুমে মোট ৬০ এর অধিক চাঞ্চ ক্রিয়েট করেছেন এই মিডফিল্ডার, লীগেই করেছেন ৫৭ চাঞ্চ ক্রিয়েট। এছাড়া মোট ১৩ গোল এসিস্ট করেছেন মৌসুমে। আসরে ৫ গোলের সাথে করেছেন ৯ এসিস্ট।
ইপিএলে এই আসরে ১৮ সফল ক্রস ও ১৯ সফল ড্রিবলিং করেছেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। মোট ২৬ বার করেন সফল ট্যাকেলস, ডুয়েলস জয় করেন ১২১ বার। এছাড়া ৭৯ বার দেন লং বল, ৩৭ বার করেন শট। সবদিকেই যেন অলরাউন্ড পারফর্মেঞ্চ দেখিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন।
এঞ্জোর এমন পারফর্মেঞ্চের আর্জেন্টাইনদের আনন্দ দেবে। আলভিসেলস্তাদের জাতীয় দলের অপরিহার্য অংশ এঞ্জো৷ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শক্তিশালী ম্যাচের আগে এঞ্জোর দিকে পুর্ণ নজর ছিল দর্শকদের। আর সেখানেই পারফর্মেঞ্চ দিয়ে ভক্তদের আশ্বস্ত করার কাজটা করেন এই মিডফিল্ডার। একই সাথে এঞ্জোর এমন ফর্মে দুশ্চিন্তায় পড়বে ব্রাজিল শিবিরে। কিভাবে এই মিডফিল্ডারকে থামানো যাবে, এটা হয়ত এখন দলটির অন্যতম চিন্তার কারণ। এবার দেখা যাক, এঞ্জো শেষ পর্যন্ত জাতীয় দলেও ব্যাবধান তৈরি করতে পারেন কিনা।




