ডাচ লীগে টেবিলের চার নাম্বার দল ফেয়োনার্ড। তাদের ঠিক নিচে অবস্থান এফসি টুয়েন্টির। সমান ম্যাচ খেলে ব্যাবধান মাত্র এক পয়েন্টে। সেই দলের বিপক্ষে পয়েন্ট টেবিলে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই ছিল ফেয়োনার্ডের। আর সেখানেই একাই ব্যাবধান করলেন ব্রাজিলের ইগর পাসিও।
অনেকে তাকে আবার পাক্সিও বলে থাকেন। সেই পাসিও এবার এক ম্যাচে করলেন ৫ গোল এসিস্ট। তার দল মোট প্রতিপক্ষের জালে দিয়েছে ৬ গোল। যার ৫ টাই আসে পাক্সিও এর প্রত্যক্ষ অবদানে।
এদিন পাসিও গোল উৎসব শুরু করেন ম্যাচের ১৪ মিনিটে। তার আগে অবশ্য এক গোল দেয় ফেয়োনার্ড। ১০ মিনিটে করা শুরুর গোলেই অবদান ছিল না পাসিও এর। এরপর ৪ মিনিট পর জাপানিজ স্ট্রাইকার আয়শা উইদার বাড়ানো বল থেকে ম্যাচে নিজের প্রথম গোল করেন পাসিও৷ ২৩ মিনিটে এবার গোল করেন আয়শা উইদা। এবার তাকে বল বাড়িয়ে দেন পাসিও। ৩ গোলে এগিয়ে যায় ফেয়োনার্ড।
৪১ মিনিটে প্রতিপক্ষের এক গোল। তবে ৫৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল আদায় করেন এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার। এবার তাকে এসিস্ট করেন জিভারিও রিড। রিডের বাড়ানো বলে ডিবক্সের ভিতর থেকে ডান পায়ের শটে পাসিও এর গোল আদায়।মিনিট দশেক পর আবারো গোল পাসিও। আবারো যেন আগের গোলের পুনারাবৃত্তি। রিডের বাড়ানো বল, পাসিও এর দারুণ ফিনিশিং। তাতেই আদায় করেন নিজের হ্যাট্রিক।
পাসিও প্রতিপক্ষের কফিনে শেষ পেরেক দেন ম্যাচের ৯০ মিনিটে। আয়মান স্লিতি বাড়িয়ে দেন দারুণ এক থ্রো বল। আর তাতে গোল করতে ভুল করেননি এই ডাচ লেফট উইঙ্গার। সেখানেই ৬-২ গোলের বিশাল জয় নিশ্চিত হয় ফেয়োনার্ড।
তবে এখানেই যে ভালো খেলেছেন পাসিও এমন নয়। এর আগে এসি মিলানকে চ্যাম্পিয়নস লীগ থেকে বিদায় করে ফেয়োনার্ড, সেখানে প্রথম লেগে পাসিও এর একমাত্র গোলে জয় পায় ফেয়োবার্ড। চ্যাম্পিয়নস লীগে এবারের আসরে মোট ৬ গোল এসিস্ট তার। ২ গোলের সাথে করেছেন ৪ এসিস্ট। এর আগে চ্যাম্পিয়নস লীগে পারফর্ম করেই এসেছেন আলোচনায়।
সব মিলিয়ে ৩৮ ম্যাচে ২৪ গোল এসিস্ট পাসিও এর। আছে ১১ গোলের সাথে ১৩ এসিস্ট। লেফট উইঙ্গার হলেও পাসিও খেলতে পারেন স্ট্রাইকার সহ একাধিক পজিশনে। যা তাকে এগিয়ে রাখে অন্যদের চেয়ে। এমন একজনকে চাইলেই ব্রাজিল দলে ডাকতে পারেন কোচ ডরিভাল জুনিয়ার। অন্তত একাধিক পজিশনে বদলি হিসেবে দারুণ কার্যকর হতে পারেন তিনি। এবার দেখা যাক, আগামী দিনে হলুদ জার্সিতে অভিষেক হয় কিনা এই উইঙ্গারের।




