এঞ্জো ফার্নান্দেজ নামের ভ্যারিয়েফাইড পেইজ থেকে পোষ্ট করা হলো বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানিয়ে। কাষ্টম হলেও সেই পোষ্টে এঞ্জোর গোল করে উৎসবের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে তাদের সমর্থনের জন্য
সেই পোষ্টের রিয়াকশন ও কমেন্টেকে ঘিরে উত্তাপ তৈরি করেছে বাংলাদেশের লোকজন। বরাবর তারাও এঞ্জোকে ধন্যবাদ জানিয়েছে, অনেকে নিজের দেশকে তুলে ধরছেন, অনেকে এঞ্জোর প্রতি জানিয়েছেন ভালোবাসা। কিন্ত এত ভালোবাসার অদল বদল, পুরোটাই যেন মিথ্যা।
ফেসবুকে এঞ্জো ফার্নান্দেজ নামক এক ভ্যারিফাইড পেইজ আছে। সেই পেজের ফলোয়ার্স সং্খ্যাও বেশ কম নয়৷ তবে সেটা পুরোটাই ফ্যানমেইড পেইজ। বাস্তবে নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কোন একাউন্ট নেই বলেই জানানো হয় রিউমার স্ক্যান করে। অর্থ্যাৎ এঞ্জোর সাথে এত ভালোবাসার বিনিময় পুরোটাই মিথ্যে।
এর আগেও একাধিকবার এঞ্জোর বাংলাদেশকে নিয়ে পোষ্ট দেখা গিয়েছিল। অনেক পেজে গিয়ে তার কমেন্ট প্রতীয়মান হয়েছিল। এমনকি জুলাই অভ্যুর্থানে এই পেইজ থেকে ছবি পোষ্ট করা হয়েছিল, যা অনেককে দিয়েছে প্রেরণা। এর বাইরেও এই পেইজের বায়োতে লেখা এটাই এঞ্জো ফার্নান্দেজের আসল পেইজ। তবে সব তথ্যই যেন মিথ্যা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইনষ্টাগ্রামে এঞ্জোর ব্যাক্তিগত আইডি রয়েছে। ১১ মিলিয়ন ফলোয়ার্সের সেই আইডিতেও এঞ্জো নিয়মিত পোষ্ট করেন। তবে সেই পোষ্টের সাথে ফেসবুক পোষ্টের বেশ অমিল দেখা যায়৷ এমনকি ফেসবুক এঞ্জোর বাংলাদেশ প্রীতি দেখা গেলেও ইনষ্টার এঞ্জোর এ নিয়ে কোন পোষ্ট বা কমেন্ট নেই। সেখানে পুরোপুরি নিজের ব্যাক্তিগত ও পেশাদার জীবন দিয়ে সাজানো প্রোফাইল তার।
বর্তমানে আর্জেন্টিনা দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় এঞ্জো ফার্নান্দেজ। সাম্প্রতিক সময়ে ব্রাজিলের বিপক্ষেও গোল আদায় করেন এই মিডফিল্ডার। এছাড়া চেলসির জন্য অন্যতম সেরা খেলোয়াড় তিনি। স্বাভাবিকভাবেই সারা বিশ্বে গড়ে উঠেছে তার ভক্তকুল, সেটা ছড়িয়েছে বাংলাদেশেও। তাই এঞ্জোর পেজকে ঘিরে তাদের দেশের অনুকুলীয় পোষ্ট পেয়ে তারাও দেখিয়েছে উন্মাদনা। তবে আরো একবার ফেইক পেজ এসে প্রমাণ করলো, উন্মাদনার আগে সবকিছুকে যাচাই বাছাই করে নেওয়াই শ্রেয়।




