পাকিস্তানি ভক্তরা তো কমেন্টই করে বসলেন, রাশিদ নয় এখন থেকে রিশাদেই ভরসা তাদের। পিএসএলে লাহোর কালান্দার্সে নিয়মিত খেলেন আফগান লিজেন্ডারি লেগী রাশিদ খান। তবে এবার আইপিএলের কারণে এই আসরে খেলছেন না তিনি।
আর সেখানেই রাশিদের বদলে বাংলাদেশের রিশাদকে দলে নেয় লাহোর। দলে সুযোগ পেয়েই সমর্থকদের আস্থা কুড়িয়ে নেন রিশাদ। প্রথম ম্যাচেই নেন ৩ উইকেট, ফিরিয়ে দেন প্রতিপক্ষের হয়ে সর্বোচ্চ রান করা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠা রিলে রুশোকে। যে কারণে বাংলাদেশের রিশাদের প্রতি তাদের গিয়েছে চোখ।
তবে রিশাদের চেয়েও বড় ইম্প্যাক্ট খেলোয়াড় আসছেন পিএসএল মাতাতে। পিএসএলের শুরুর অর্ধ খেলতে পারবেন না বাংলাদেশের নাহিদ রানা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের জন্য তাকে শুরুতে রেখে দেয় বাংলাদেশ। তবে শেষের অর্ধের জন্য তাকে দেওয়া হয় ছাড়পত্র। আর সেখানেই মাঠ মাতাতে আসছেন রানা।
১৫০+ গতিতে বল করতে পারা বাংলাদেশের পেসারকে নিলাম থেকেই দলে নেয় পেশোয়ার জালমি। টেষ্টে বাবর আজমকে বারবার পরাস্ত করা রানার মুখোমুখি হতে চাননি পাকিস্তান অধিনায়ক। যে কারণে এবার তাকে নিয়ে নেন নিজেদের ডেরায়৷
এই মুহুর্তে রানাকে ভীষণ প্রয়োজন পেশোয়েরে। পিএসএলের শুরুর ম্যাচে পেশোয়ার হেরে যায় কোয়েট্টা গ্লাডিওটর্সের কাছে। সেখানে পেসার হিসেবে খেলেন জোসেফ, মোহম্মদ আলীরা। সে ম্যাচে বেশ খরুচে ছিলেন এই দুই পেসার, দুইজনই চার অভারে দেন ৫০ এর অধিক রান। যে কারণে বড় ব্যাবধানে হারতে হয় বাবরের দলকে।
এছাড়া পেশোয়ারে বিদেশী কালেকশনেই নেই আধিক্য। বিদেশী হিসেবে শেষ ম্যাচে অজি ম্যাক্স ব্রান্ট ও মাইকেল ওয়েন খেলেছেন। তবে ব্যাট হাতে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি তারা। সেখানে রানার মত একজনকে দলে নিতে চাইবে তারা। আর তাতে বোলিং বিভাগে আসবে ভারসাম্য।
শুরুর ম্যাচে রিশাদের পারফর্মেঞ্চের পর রানাকে নিয়ে ভরসা সমর্থকদের। এমনিতে এত জোরে বল করা বোলার বিশ্বে বিরল। এর উপর আইপিএল চলাকালীন সেরা পেসারদের সার্ভিস পাচ্ছেনা পিএসএল। তাই রানার দিকে শুধু পেশোয়ার না, চেয়ে থাকবে পুরো পিএসএল কতৃপক্ষ।
এবার দেখা যাক, সুযোগ পেয়ে সবার আস্থার কতটা প্রতিদান দিতে পারেন রানা। তবে বিদেশী লীগে রানাকে দেখার জন্য যেন আগ্রহ কমছেইনা দেশী কোটি ক্রিকেট ভক্তদের।




