২০২৪ সালের গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লীগে রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলেছিলেন রিশাদ হোসাইন!
এরপরই ডাক পেয়েছিলেন বিগ ব্যাশের দল হোবার্ট হ্যারিক্যান্সে, কিন্তু বিগ ব্যাশে খেলা হয়নি রিশাদের,রিশাদ খেলেছেন বিপিএলে ফরচুন বরিশালের হয়, আর এবার খেললেন পিএসএলে লাহোরে!
এই চারটি দল ভিন্ন চারটি টুর্নামেন্টে খেললেও একটা মিল এই দলগুলোর মধ্যে রয়েছে,সেগুলো হলো,স্ব স্ব টুর্নামেন্টে এই চারদলই এখন চ্যাম্পিয়ন!
অর্থাৎ সর্বশেষ যে চারটি দল রিশাদকে দলে নিয়েছে প্রতিটি দলই হয়েছে চ্যাম্পিয়ন।
তাই রিশাদকে চ্যাম্পিয়ন ভাগ্যের খেলোয়াড় বলাই যায়,কেননা বিগব্যাশে তার দল চ্যাম্পিয়ন, বিপিএলে তার দল চ্যাম্পিয়ন আবার গ্লোবাল সুপার লীগেও চ্যাম্পিয়ন তিনি,সর্বশেষ সেই খাতায় যুক্ত হয়েছে পিএসএল দল লাহোর।
গতকাল তিন বাংলাদেশীর গলায় পড়ানো হয়েছে চ্যাম্পিয়ন দল,সিকান্দার-পেরেরার ম্যাজিক্যাল ব্যাটে তৃতীয় শিরোপা ঘরে তুলেছে তাদের দল লাহোর কালান্দার্স!
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ২০১ রান করে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করে ১ বল হাতে করেখেই ৬ উইকেটের জয় তুলে নেয় লাহোর কালান্দার্স।
২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ১০ ওভারেই ৯৭ রান করে জয়ের পথে দারুণভাবে এগিয়েছিল লাহোর।
কিন্তু পরের ৫ ওভারে লাহোরের রান অনেক কমে যায়। মাঝের এই ৫ ওভারে মাত্র ৩৪ রান তুলতে সক্ষম হয় লাহোরের ব্যাটাররা।
শেষ ৫ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৭১ রান। এ সময়ই ঘুরে দাঁড়ায় লাহোর। বিশেষ করে কুশল পেরেরা এবং ভানুকা রাজাপাকসে মিলে ১৬তম ওভার থেকে ঝড় তোলার চেষ্টা করেন।
তবে খেলার মোর ঘুরতে থাজে রাজাপাকশে আউট হলে।
শেষ তিন ওভারে প্রয়োজন ছিল ৪৭ রান। কুশল পেরেরা এবং সিকান্দার রাজা মিলে ১৮তম ওভারে ১৬, ১৯তম ওভারে করেন ১৮ রান।
ফলে শেষ ওভারে প্রয়োজন হয় ১৩ রান। ফাহিম আশরাফ প্রথম তিন বলে দিলেন ৫ রান। তবে কোনো বাউন্ডারি নিতে দেননি।
চতুর্থ বলে সুযোগ পান সিকান্দার রাজা। ফাহিম আশরাফকে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচকে নিয়ে আসেন হাতের মুঠোয়। ২ বলে ২ রান দরকার।
সিকান্দার রাজা অপেক্ষা করতে রাজি ছিলেন না। বাউন্ডারি মেরে নিশ্চিত করলেন জয়, যাতে শিরোপা উঠলো শাহীন শাহ’র হাতে।




