আসরে সর্বোচ্চ ৪ দল এসেছে ব্রাজিল থেকে। সবাই নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেই এসেছে।
তবুও ব্রাজিলিয়ান এতগুলো দল খেলা নিয়ে অনেকে করেছিলেন সন্দেহ। অনেকে ভেবেছেন ইউরোপীয়ান দলগুলোর কাছে পাত্তাই পাবেনা ব্রাজিলের দলগুলো।
কিন্ত ২ ম্যাচ শেষে যেন সব হিসাব নিকাশ গেলো পালটে। ৮ ম্যাচে এখন পর্যন্ত হারেনি ব্রাজিলে কোন ক্লাব।
ব্রাজিলের খেলা ৪ ক্লাবই আছে নিজেদের গ্রুপের শীর্ষে। সেখানে আমেরিকান, ইউরোপীয়ান ক্লাবদের পিছনে ফেলেছে তারা।
গ্রুপ এ তে পালমেরাস সর্বশেষ ম্যাচে জয় পেয়েছে মিশরীয় ক্লাব আল আহলির বিপক্ষে। এই ক্লাবের বিপক্ষে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটির জয় ২-০ গোলে।
এর আগের ম্যাচে ইউরোপিয়ান ক্লাব পোর্তোর সাথে ড্র করে তারা। ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পোর্তো মায়ামিকে পিছনে ফেলে গ্রুপের সেরা তারা।
শেষ ম্যাচে ড্র করলেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই পরের রাউন্ডে যাবে পালমেরাস।
২ ম্যাচে ২ জয় ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়ন বোটাফিগোর। সর্বশেষ ম্যাচে চ্যাম্পিয়নস লীগ জয়ী উড়তে থাকা পিএসজিকে হারিয়ে দেয় ক্লাবটি।
এর আগের ম্যাচে জয় পায় আমেরিকান ক্লাব সিয়াতল সান্ডার্সের বিপক্ষে। ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার সেরা তারা।
পরের রাউন্ডে এক পা দিয়ে রেখেছে তারা, শেষ ম্যাচে হারলেও থাকবে পরের রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ।
আর ড্র করলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই পরের রাউন্ডে যাবে ইগর জেসুসের ক্লাবটি।
চেলসি, ইসপেরেনদের হারিয়ে ফ্লেমেঙ্গো আছে গ্রুপ ডি তে সবার উপরে। দুই ম্যাচেই দাপুটে ফুটবল খেলে আলোচনায় ফিলিপে লুইজের দলটি।
বিশেষ করে চেলসির বিপক্ষে ৩-১ ব্যাবধানের জয়ের পর দলটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই। শেষ ম্যাচে আমেরিকান ক্লাব লস এঞ্জেলস এফসির সাথে খেলবে ফ্লেমেঙ্গো। যেভাবে খেলছে ফ্ল্যামেঙ্গো, এই ম্যাচেও জয় নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের রাউন্ডে যেতে চাইবে তারা।
এর মাঝে পরের রাউন্ড যাত্রা নিশ্চিত হয়ে গেছে তাদের। তবে শেষ ম্যাচে জয় নিয়ে সেটাকে আরো দৃঢ় করতে চাইবে দলটি।
গ্রুপ এফএ ডর্টমুন্ডকে টপকে সবার সেরা ফ্লুমিনেস। ইউরোপীয়ান ক্লাব ডর্টমুন্ডের সাথে ড্র এর পর দক্ষিণ কোরিয়ার ক্লাব উলশান এইচিডিকে ৪-২ গোলে হারায় তারা।
শেষ ম্যাচে ড্র করলেই পরের রাউন্ডে উঠে যাবে দলটি। তবে হেরে গেলে অবশ্য বিদায়ের শঙ্কা থাকবে তাদের।
সব মিলিয়ে ক্লাব বিশ্বকাপে দাপট ব্রাজিলের। ইউরোপিয়ানদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে ব্রাজিল দেখিয়ে দিলো, এটাই তাদের ফুটবলের ঐতিহ্য।




